প্রিয় পাঠক

# এটা SEPT-OCT 2026 সংখ্যা # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ।

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

মিনতি প্রভঞ্জন ঘোষ সারাটা দিন কূটকচালির কালির ভেতর দিয়ে হাঁটাচ্ছো, তার ক্ষোভটুকু নেই একটুও হৃদয়ে। দিনের শেষে এই মিনতি হে প্রভু শুনিও- নিষ্কলঙ্ক তারার আলো একটু দেখতে দিও। যন্ত্রপাতির ভেতর দিয়ে ঘোরাচ্ছ তা ঘোরাও বিষণ্ণতার ক্ষোভটুকু নেই একটুকু কণাও। দিবসখানি বিফলতায় হওয়ার আগে সাঙ্গ দেখার সুযোগ দিও একটি পবিত্র পতঙ্গ। ক্ষোভ কিছু নেই ঝুটঝামেলার কাদায় পিছলে যেতে কিংবা কোন বাকবচসার জঞ্জালে জড়াতে। দিনের শেষে ছুঁতে দিও হে প্রভু নির্মল ঘাসের ডগার স্বচ্ছ-স্নিগ্ধ একটু শিশির-জল।

Read More

জহির খানের কবিতা
জহির খানের কবিতা

আমিতো কবিতা লিখি স্যার জহির খান আমার নাক বরাবর ভদ্রলোক আবহমান বাংলার নৌকায় চড়েন বাংলায় কথা বলেন, বাংলা গান করেন উদার এক লাল-সবুজের নদী হয়ে উঠেন ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যে ভদ্রলোক উনিইতো সবুজ সোনালি ধানের চাষ করেন লাঙলের ফলায় খুবই মায়ার কায়ায় ফসল ভালোলাগে – খুবই জরুরি ভালোবাসা বন্ধুগো ডানপাশের ভদ্রলোক উনি অদৃশ্য এক শক্তি দাড়িপাল্লা নিয়ে বণিক চেয়ারে বসে থাকেন ভিনদেশী প্রোডাক্ট কেনাবেচা করেন – ঠকান বামপাশের ভদ্রলোকও দেশেই থাকেন দেশের কথা হয়, ভালোবাসেন লাল দল রাজপথের…

Read More

কিশলয় গুপ্তের কবিতা
কিশলয় গুপ্তের কবিতা

ঈর্ষাগুলো গলতে থাক কিশলয় গুপ্ত রাত পাহারা চলছিল সুযোগ বুঝে রাতচরা মুখ        বুকের কথা বলছিল একটু সুখের গন্ধ পেয়ে        ঈর্ষায় কেউ জ্বলছিল। লক্ষ তারা তাক বুঝে অনাহূত পাতছে থালা        পংক্তি মেনে ফাঁক বুঝে শিকারিদল জিভ রেখেছে        মিষ্টি মধুর চাক খুঁজে। রাত পাহারা চলতে থাক রাতের বুকে সৎ দারোয়ান        জ্ঞানের কথা বলতে থাক। তেমন সময় ধূপ মাড়িয়ে        ঈর্ষাগুলো গলতে থাক। জ্ঞানপাপী সব…

Read More

রহিত ঘোষালের কবিতা
রহিত ঘোষালের কবিতা

লালপলাশ রহিত ঘোষাল ১. যে মাটিতে বহুকাল বর্ষা নেই, যেখানে সব ফুলের গলিতমুখ, শ্রান্তিবিহীন বিছানা, বিলাসপণ্য, ওখানে আমি উপেক্ষিত। নির্মমতাই আছে, বলছি তোমায়, ক্ষীণায়ু শ্লথ কায়া, অনিবার দয়িত জীবন, বিঁধে আছে উপহাস, ঝড়ে আর আশ্লেষে, একটি নামাবলি শুধু ঝুলছে দেওয়ালে, নির্লিপ্ত। ২. বঙ্কিমভঙ্গিতে প্রশ্নচিহ্ন কূজন, সংক্ষোভে আসে মৃত্যুচেতনা, তারপর আসে ভালোবাসাবাসি, আসে প্রভাত যৌনতা। রতি লালসার ছলনা বলয়, শহরপ্রান্তে আমাদের ঘর, সীমান্তহীন আমাদের মিলন, ভীরু আমাদের পদক্ষেপ। ৩. রেণুতে রেণুতে আলিঙ্গন, বালিগঞ্জে আজ বর্বর যুগ, সময়ের উপান্তে অনুরণন, প্রেমিকা-নিষ্ঠ…

Read More

শিশির আজমের কবিতা
শিশির আজমের কবিতা

মৃত্যু জরুরি কিছু না শিশির আজম বলশেভিকদের কথা ছাড় আর এক ঘন্টা পর জোনাকিদের বাৎসরিক উৎসব শেষ হলে আমি মারা যাবো তার আগে জরুরি কিছু কথা বলে নিই কিছু কাজ জিজ্ঞেস করো দরজাগুলোকে আর জীর্ণ ফ্যাকাসে জুতোগুলোকে আর না পড়া বইগুলোকে কালবোশেখির জামা পরে উড়তে উড়তে কখন ওরা গিয়ে পৌছবে সমুদ্রে আকাশের হাসি হাসি মুখ বাতাসের ভাইকিং সুর মানে যে কথাটা বলতে চাই তা হলো মৃত্যু এমন জরুরি কিছু না পুংকেশর শিশির আজম শীতের এই কুঁড়েঘর মৌমাছির, এই অস্ফুট…

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

খোদাবন্দ সমর চক্রবর্তী ধর্মের ভূত চেপেছে আজ সময়ের ঘাড়ে স্বাধীনতাকে ধরে কষে বাঁধে দেশপ্রেমের খোঁয়াড়ে। জী হুজুর গুরু বলে চেঁচায় ওরা ! বলে জী হুজুর! আপনিই ‘মা-বাপ’এর জবাবে নামে মাথায় মুগুর!

Read More

এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা
এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা

বেঁচে থাকা মানে এ কে এম আব্দুল্লাহ কখনও কখনও চমক লাগে মনে, যখন দেখি বেঁচে আছি পৃথিবীতে! আজকাল পৃথিবীর পথে-প্রান্তরে জঙ্গল শহর কিংবা সাগরে কেবল নির্মম মৃত্যুর নৈরাশ্য খেলা ! অবাক লাগে যখন দেখি, অকারণ মৃত্যুভুমির হৃদয় নেড়ে জমাট বাঁধা রক্তের ভেতর হতে বেঁচে থাকার ইশারা করে কোনো কচি প্রাণ কান্নার স্বর ! রুঢ়তার অলক্ষেই ভেজে ওঠে চোখ। আহা! পৃথিবীতে এখন বিকৃতির চরম এক উল্লাসিত সময়। কিছুদিন পর হয়তো মনে হবে ‘বেঁচে থাকা’ মানে পৃথিবীতে মঞ্চস্থ জনপ্রিয় কোনো পালাযাত্রার…

Read More

রুবেল আহম্মেদের কবিতা
রুবেল আহম্মেদের কবিতা

রক্ত গোলাপ রুবেল আহম্মেদ তোমার সাথে কল্পনাতে কথা বলাটা আমার জন্য বড্ড ভোগান্তির বলতে পারো, তোমাকে অনুভব করা, তোমার চোখ, কান, নাখ এতোটা অস্পষ্ট লাগে দ্বিধায় পড়ি মাঝে মধ্যে। অবশ্য তোমার এলোমেলো চুল আমাকে মনে করিয়ে দেয় তোমাকেই দেখছি। তোমাকে এখন সবসময় মনে করার মতো সময় হয় না, সময় হয় না টংয়ের দোকানে দাড়িয়ে চা হাতে এক কাপ চা শেষ করার। একসাথে কতটা সময় যে আমরা নষ্ট করেছি মনে পড়ে তোমার? কতগুলো গোলাপ যে তোমার উছিলায় মৃত্যুর স্বাদ নিয়েছে…

Read More

রওশন রুবীর কবিতা
রওশন রুবীর কবিতা

চোখের ভেতর মানচিত্র রওশন রুবী আজ আমার চোখ দুটো ঠিকভাবে খুলছে না— ভেতর থেকে কেউ যেন বলছে, দেখা মানে সবকিছু বিশ্বাস করা না। আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই, চোখের ভেতর দেখি— একটা মানচিত্র ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। সীমানাগুলো নিজেদের নাম ভুলে গেছে, দেশগুলো ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু মানুষের চোখ- অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা। একটা শিশু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল— হঠাৎ তার চোখ থেকে বেরিয়ে এলো একটা ছোট নদী, আমি হাত বাড়ালাম, সময় ভিজে উঠল। আমি শিহরিত হই আর চোখের পাতা…

Read More

নিধির রায়ের কবিতা
নিধির রায়ের কবিতা

রামেশ্বরম নিধির রায় এখানেই এসেছিলে তুমি দাশরথি হৃদয়ে জেগেছিল বুঝি পাপ ব্রহ্মহত্যার পরে, এসেছিলে এই সাগরসৈকতে দ্বাবিংশ কুণ্ডস্নান সেরেছিলে পাবন সলিলে, রচেছিলে রামনাথস্বামী বালুকার লিঙ্গরাজ বৈদেহীর হাতে। সমুদ্রপাড়ে আদি দেবতারে পূজিলে যতনে তুমি শুদ্ধবিল্বপত্রপুটে হে বৈদেহীনাথ। ধুয়ে গেল সমস্ত পাপ, সকল সন্তাপ সাগরের নীল জলে মহেশের নির্দেশে। তুমি তো জানো বৈদেহীনাথ প্রিয়পাত্র রাবণের মৃত্যুর পরে কেঁদেছিলেন শোকার্ত মহেশ নিভৃত কৈলাস কন্দরে, অমোঘ নিয়তির টানে যে মরেছে বিফলে তার বিয়োগে কেঁদেছিলেন তিনি আকুল নয়নে, তোমার পাপস্খলনে তাঁরেই পূজিলে তুমি। যে…

Read More