প্রিয় পাঠক

# এটা JULY-AUG 2026 সংখ্যা # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JULY মাসের ২০ তারিখ।

শিশির আজমের কবিতা
শিশির আজমের কবিতা

মৃত্যু জরুরি কিছু না শিশির আজম বলশেভিকদের কথা ছাড় আর এক ঘন্টা পর জোনাকিদের বাৎসরিক উৎসব শেষ হলে আমি মারা যাবো তার আগে জরুরি কিছু কথা বলে নিই কিছু কাজ জিজ্ঞেস করো দরজাগুলোকে আর জীর্ণ ফ্যাকাসে জুতোগুলোকে আর না পড়া বইগুলোকে কালবোশেখির জামা পরে উড়তে উড়তে কখন ওরা গিয়ে পৌছবে সমুদ্রে আকাশের হাসি হাসি মুখ বাতাসের ভাইকিং সুর মানে যে কথাটা বলতে চাই তা হলো মৃত্যু এমন জরুরি কিছু না পুংকেশর শিশির আজম শীতের এই কুঁড়েঘর মৌমাছির, এই অস্ফুট…

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

খোদাবন্দ সমর চক্রবর্তী ধর্মের ভূত চেপেছে আজ সময়ের ঘাড়ে স্বাধীনতাকে ধরে কষে বাঁধে দেশপ্রেমের খোঁয়াড়ে। জী হুজুর গুরু বলে চেঁচায় ওরা ! বলে জী হুজুর! আপনিই ‘মা-বাপ’এর জবাবে নামে মাথায় মুগুর!

Read More

এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা
এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা

বেঁচে থাকা মানে এ কে এম আব্দুল্লাহ কখনও কখনও চমক লাগে মনে, যখন দেখি বেঁচে আছি পৃথিবীতে! আজকাল পৃথিবীর পথে-প্রান্তরে জঙ্গল শহর কিংবা সাগরে কেবল নির্মম মৃত্যুর নৈরাশ্য খেলা ! অবাক লাগে যখন দেখি, অকারণ মৃত্যুভুমির হৃদয় নেড়ে জমাট বাঁধা রক্তের ভেতর হতে বেঁচে থাকার ইশারা করে কোনো কচি প্রাণ কান্নার স্বর ! রুঢ়তার অলক্ষেই ভেজে ওঠে চোখ। আহা! পৃথিবীতে এখন বিকৃতির চরম এক উল্লাসিত সময়। কিছুদিন পর হয়তো মনে হবে ‘বেঁচে থাকা’ মানে পৃথিবীতে মঞ্চস্থ জনপ্রিয় কোনো পালাযাত্রার…

Read More

রুবেল আহম্মেদের কবিতা
রুবেল আহম্মেদের কবিতা

রক্ত গোলাপ রুবেল আহম্মেদ তোমার সাথে কল্পনাতে কথা বলাটা আমার জন্য বড্ড ভোগান্তির বলতে পারো, তোমাকে অনুভব করা, তোমার চোখ, কান, নাখ এতোটা অস্পষ্ট লাগে দ্বিধায় পড়ি মাঝে মধ্যে। অবশ্য তোমার এলোমেলো চুল আমাকে মনে করিয়ে দেয় তোমাকেই দেখছি। তোমাকে এখন সবসময় মনে করার মতো সময় হয় না, সময় হয় না টংয়ের দোকানে দাড়িয়ে চা হাতে এক কাপ চা শেষ করার। একসাথে কতটা সময় যে আমরা নষ্ট করেছি মনে পড়ে তোমার? কতগুলো গোলাপ যে তোমার উছিলায় মৃত্যুর স্বাদ নিয়েছে…

Read More

রওশন রুবীর কবিতা
রওশন রুবীর কবিতা

চোখের ভেতর মানচিত্র রওশন রুবী আজ আমার চোখ দুটো ঠিকভাবে খুলছে না— ভেতর থেকে কেউ যেন বলছে, দেখা মানে সবকিছু বিশ্বাস করা না। আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই, চোখের ভেতর দেখি— একটা মানচিত্র ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। সীমানাগুলো নিজেদের নাম ভুলে গেছে, দেশগুলো ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু মানুষের চোখ- অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা। একটা শিশু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল— হঠাৎ তার চোখ থেকে বেরিয়ে এলো একটা ছোট নদী, আমি হাত বাড়ালাম, সময় ভিজে উঠল। আমি শিহরিত হই আর চোখের পাতা…

Read More

মঞ্জুশ্রী শর্মার কবিতা
মঞ্জুশ্রী শর্মার কবিতা

রামেশ্বরম মঞ্জুশ্রী শর্মা এখানেই এসেছিলে তুমি দাশরথি হৃদয়ে জেগেছিল বুঝি পাপ ব্রহ্মহত্যার পরে, এসেছিলে এই সাগরসৈকতে দ্বাবিংশ কুণ্ডস্নান সেরেছিলে পাবন সলিলে, রচেছিলে রামনাথস্বামী বালুকার লিঙ্গরাজ বৈদেহীর হাতে। সমুদ্রপাড়ে আদি দেবতারে পূজিলে যতনে তুমি শুদ্ধবিল্বপত্রপুটে হে বৈদেহীনাথ। ধুয়ে গেল সমস্ত পাপ, সকল সন্তাপ সাগরের নীল জলে মহেশের নির্দেশে। তুমি তো জানো বৈদেহীনাথ প্রিয়পাত্র রাবণের মৃত্যুর পরে কেঁদেছিলেন শোকার্ত মহেশ নিভৃত কৈলাস কন্দরে, অমোঘ নিয়তির টানে যে মরেছে বিফলে তার বিয়োগে কেঁদেছিলেন তিনি আকুল নয়নে, তোমার পাপস্খলনে তাঁরেই পূজিলে তুমি। যে…

Read More

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

মিলমিশ দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ফকির হয়ে আছে অমাবস্যার আকাশ তার আলখাল্লায় আজ উন্মাদ হাসি গানের ভিতর মৃত্যু ভুলে থাকি রাত্রি নাচতে থাকে চারপাশে এইভাবে মহামিলন লিখি কত আম ছড়িয়ে শুধু আমি বাদে দূরত্ব দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল হাঁটছিল শরীর ও চোখ এমন সূর্যাস্তের মুখ আমাদের দু’জন তবুও বেশ দূরে দূরে সুরাস্তা দেবাশিস মুখোপাধ্যায় কোনো মূর্তি এখন স্পষ্ট নয় এই রাস্তা সঠিক তাও জানি না তবুও ভিতরে রবিগানের সুর যাত্রা দেবাশিস মুখোপাধ্যায় পাতাগুলো বিবর্ণ হতে হতে মৃত্যুপথযাত্রী নীরব অক্ষরগুলো চোখে…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

সন্তাপলিপি সন্তোষ রায় ১. যখন পাঠ করি, দেখি, কতবার যে মরেছো, কতবার এসেছো ফিরে ফিরে— এত ক্ষতের দাগ পান্ডুলিপি জুড়ে। পাশে রক্ত নেই, ছিটকে পড়া অঙ্গ নেই— ঘোরের কলম হাঁটে ভোরের দিকে — ২. এ কেমন ঘোর কেবল শূন্য লেখে! আমার লেখায় সোজা রেললাইন নেই, গভীর বাঁক নেই ছন্দের। শব্দ আসে। কোথায় যাত্রী, পথিক কোথায়! কথারাই যায় দূর গন্তব্যে — ৩. নিচে রেল, উপরে মেঘ — ছুটছে তোমার দিকে। ভোল ভাঙাতেই এই ছুটে যাওয়া। হেমন্ত নিঃস্ব হলো তুমিও ভুলে…

Read More

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

পিঁপড়ে ও আমি সনজিৎ বণিক পিঁপড়ে ও আমার মধ্যে বেশ মিল খুঁজে পাই, আমরা দুজনেই চঞ্চল, কেবল দৌড়োতে ভালোবাসি চারদিকের মাঠঘাট ও জগৎ; ভালো করে পরখ না করেই কেবল হন্তদন্ত ঘুরতে থাকি, দেখলেই মনে হয় বেশ ব্যস্ত কোনো জরুরি কাজের চাপে এদিক সেদিক দৌড়োতে দৌড়োতে কারো কথাই মনে পড়ে না! পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ, পুব থেকে পশ্চিম দিশা আমাদের দু’জনের রাডারে বেশ পরিষ্কার এবং আমরা ছুটতে থাকি এই মায়াবী দুনিয়ায়, ছুটতে ছুটতে পরিচিত মানুষের দেখা পেলেই দু-চার কথা বলা,…

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

দিনকাল সদানন্দ সিংহ মেঘের গুরু গুরু গর্জনের পর যে শূন্যরাত নামে সেখানে কোনো সূত্রই কাজে লাগে না, ‘দিন আনি দিন খাই’ ভিত্তিতে রাস্তা গড়ি কর্ষণের গভীরতাও দেখি, দেখি বেবাক সূত্র কেমন কাজে লেগে আছে ধ্রুপদি লয়ে তবু হেমন্তের অরণ্যে এখনো পোস্টম্যান ঘুরে যায় ধানসিঁড়ি ভাঙে এখনো দোয়েল বাতাস। উৎসবমুখর দিনে তুলে রাখি সমস্ত বস্তাবন্দি পুতুল খেলা, আর উৎসবমুখর রাতে আহাম্মকি ঠাটবাট কানে কানে কে যেন বলে যায়, ভালোবাসি

Read More