প্রিয় পাঠক

# এটা SEPT-OCT 2026 সংখ্যা # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ।

বিড়ালছানা – সন্তোষ উৎসুক
বিড়ালছানা – সন্তোষ উৎসুক

বিড়ালছানা        (ছোটোদের গল্প) সন্তোষ উৎসুক একদিন সকালে আন্নু তার বাড়ির ছাদে হাঁটছিল। গতকাল রাতে হালকা বৃষ্টি হয়েছে। এখন আবহাওয়া পরিষ্কার ছিল এবং সূর্য বেরিয়েছিল। হঠাৎ তার চোখ পড়ল ছাদের কোণে পড়ে থাকা শিশু পশুটির দিকে। শিশুটি নড়ছিল না। সে ভেবেছিল, বানরটি হয়তো মৃত শিশুটিকে সেখানে ফেলে দিয়েছে। সে ডাকতে লাগলো, আম্মু আম্মু, দেখ ওখানে কোনো পশুর বাচ্চা পড়ে আছে। মা নিচে রান্নাঘরে সবজি রান্না করছিলেন, তিনি উঠে এসে দুজনেই বারান্দার কোণে চলে গেলেন। একটি ছোট বিড়ালছানা…

Read More

জন্মচিহ্ন – ব্রতীন বসু
জন্মচিহ্ন – ব্রতীন বসু

জন্মচিহ্ন    (অনুগল্প) ব্রতীন বসু লোকটা হঠাৎ করেই ভুলে গেল তার ধর্ম। তিন কুলে কেউ নেই, বাবা মা অনেক আগেই গত হয়েছেন, এক পিসতুত সদ্য বিধবা বোন ছিল, সেও গতকাল বাচ্ছা প্রসব করতে গিয়ে মারা গেছে। বোন থাকতো ভাড়া এক ফ্ল্যাটে। ওর স্বামী রেলে কাজ করত, কি এক ইউনিয়নের মারপিটের মধ্যে জড়িয়ে খুন হয়। লোকটা যখনই ওর বোনের কাছে যেত একটাই প্রশ্ন করত ওর বোন, তুই বল আমার বাচ্ছাটাকে কি ভাবে মানুষ করব? চিন্তা করিস না। আমি তো আছি।…

Read More

মেটাভার্স এক বিশাল জগৎ – অনিমেষ শর্মা
মেটাভার্স এক বিশাল জগৎ – অনিমেষ শর্মা

মেটাভার্স এক বিশাল জগৎ অনিমেষ শর্মা মেটাভার্স একটি বিশাল, ভাগ করা এবং ইন্টারেক্টিভ ভার্চুয়াল জগতের মতো যেখানে লোকেরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে সামাজিকীকরণ, কাজ, খেলা এবং অন্যান্য জিনিসগুলি একসাথে তৈরি করতে পারে। এটিকে ইন্টারনেট, ভিডিও গেমস এবং ভার্চুয়াল রিয়েলিটির মিশ্রণ হিসাবে কল্পনা করুন যেখানে সবকিছু এক হয়ে গেছে। মেটাভার্স হল কিছুটা ইন্টারনেটের একটি সুবিশাল, ভাগ করা এবং ব্যাপক ভার্চুয়াল জগত, কিন্তু 3D স্পেসে। এই ভার্চুয়াল রাজ্যে, মানুষ যোগাযোগ করতে পারে, সামাজিকীকরণ করতে পারে, কাজ করতে পারে, গেম খেলতে পারে এবং…

Read More

লাইন – সদানন্দ সিংহ
লাইন – সদানন্দ সিংহ

লাইন         (অনুগল্প) সদানন্দ সিংহ যেতে যেতে হরপ্রসাদের সাইকেলটা ব্রাস্ট মেরে দিল। সামনে-পিছে দু’কিলোমিটারের মধ্যে কোনো সাইকেল-রিক্সা সারাইয়ের দোকান নেই। অতএব কী আর করে সে। সাইকেল ঠেলে এগিয়ে যেতে থাকে। এমনিতেই তার অনেক দেরী হয়ে গেছে। ঘন্টা খানেক পর সে এক সাইকেল-রিক্সা সারাইয়ের দোকান দেখল। সেখানে একজন লোক এক রিক্সার ব্রেক ঠিক করছে। সামনে আরো কয়েকটা রিক্সা দাঁড়ানো। সাইকেলটাকে দাঁড় করিয়ে সে লোকটিকে বলল, ভাই আমার সাইকেলের পেছনের টিউবটা সারাই করে দেবে? লোকটা হরপ্রসাদকে একনজর দেখে বলল,…

Read More

হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা
হীরক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কবিতা

অর্জন হীরক বন্দ্যোপাধ্যায় জীবনের যা কিছু অর্জন সব তার দান কিন্তু দান তো এক সময় ফুরিয়ে যায় ঠাকুর প্রকৃতির গ্রাসে, তাহলে ? বিমূর্ত পথিক যায় চলে পাখিদের ডাকে নৌকো পারাপার করে যে মাঝি তার গানের উজানে ক্রমশ শস্যদানা শ্যামল হয়ে ওঠে নদীর দুই তীর শুধু রাতের কল্লোলে নক্ষত্রগুলো ঝরে ঝরে পড়ে … তখন রাত জাগে দিনের গভীরে তখন কিংকর্তব্যবিমূঢ় আলো এসে অন্ধকারে লুকোয়, তখন চাঁদকে আর চাঁদ মনে হয় না তবু তুমি চলে যাও দূরে, আমি জানি যেতে হবে,…

Read More

খাজুরাহো ভ্রমণ – সদানন্দ সিংহ
খাজুরাহো ভ্রমণ – সদানন্দ সিংহ

খাজুরাহো ভ্রমণ সদানন্দ সিংহ খাজুরাহোর মন্দিরের ভাস্কর্যের কথা জানে না এমন শিক্ষিত লোকের সংখ্যা ভারতে আছে কিনা জানি না। খাজুরাহোর মন্দিরগুলি সম্ভবত তাদের কামোত্তেজক শিল্পের জন্য সবচেয়ে বেশি পরিচিত, তবে এই অলঙ্করণটি প্রায়শই প্রেক্ষাপটের বাইরে দেখানো হয় এবং প্রকৃতপক্ষে আলংকারিক ভাস্কর্যগুলি ধর্মনিরপেক্ষ এবং আধ্যাত্মিক উভয় ক্ষেত্রেই জীবনের সমস্ত দিককে চিত্রিত করে। ১০২২ খ্রিষ্টাব্দে আল বিরুনির বিবরণে প্রথম খাজুরাহোর উল্লেখ পাওয়া যায়। ১৩৩৫ খ্রিষ্টাব্দে ইবন বতুতার বিবরণেও এর উল্লেখ পাওয়া যায়। খাজুরাহো মন্দিরগুলি দেশের সবচেয়ে সুন্দর মধ্যযুগীয় স্মৃতিস্তম্ভগুলির মধ্যে একটি।…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

বাবা সন্তোষ রায় বাবা একটি শ্রদ্ধাস্পদ শব্দ বাবার মধ্যে বাবা ছিল আমার মধ্যে বাবা আছে বাবা শব্দটি মরে না সন্তানের শিল্প খেয়ে বেঁচে থাকে আমার মধ্যে কী আছে— জানি না শিল্পাহারি বাবারা শিল্প পেয়ে যায় বুকের বাঁ দিকে হাত দিলে খাওয়ার শব্দ পাই — ‌‌ জন্মান্তর সন্তোষ রায় ঢেউ ছেড়ে উঁকি দিয়েছি পাশের বাড়ির জানালায় — তুমি তখন যুদ্ধ-প্রেম কিছুই বোঝ না। স্বাধীনতা ছিল আমার থেকে চার বছরের বড়, আর তুমি ছিলে ছ’বছরের ছোট — নালিশ গিয়ে পড়ত মায়ের…

Read More

বিশ্বজিতের স্বপ্ন – সদানন্দ সিংহ
বিশ্বজিতের স্বপ্ন – সদানন্দ সিংহ

বিশ্বজিতের স্বপ্ন        (অনুগল্প) সদানন্দ সিংহ আর মাত্র কিছু পোঁচ। বড় জোর আধ ঘন্টার কাজ। কাজ শেষ হলেই সে মানে বিশ্বজিৎ বাড়ি চলে যাবে সন্ধ্যের আগেই। ইচ্ছে আছে বাড়ি গিয়ে ছেলে-মেয়ে-বৌকে নিয়ে ওরা চারজনে হেরিটেজ পার্কে একটু সময় কাটাবে। তাই তাড়াতাড়ি হাত চালায় সে। এবং অনুমান মতো আধা ঘন্টার আগেই হাতের কাজ শেষ হয়ে যায়। বিশ্বজিৎ রংমিস্ত্রি। সাতদিন ধরে সে এখানে এই ফ্ল্যাটবাড়ির এক ঘরের দেয়াল রং করছে। আজ কাজ শেষ করে সে সব কিছু গুছিয়ে রেখে…

Read More

ভালো আচরণের পুরস্কার – সন্তোষ উৎসুক
ভালো আচরণের পুরস্কার – সন্তোষ উৎসুক

ভালো আচরণের পুরস্কার     (ছোটোদের গল্প) সন্তোষ উৎসুক শেকু, অন্নু, চারু, মুদিত আর টিঙ্গু খেলছিল। গতকাল তার পরীক্ষা শেষ হয়েছে এবং তারা ফ্রি ছিল। কেউ তাড়াতাড়ি বাড়ি যেতে চায়নি। সবাই প্রথমে একটি খেলা খেলত কিন্তু শীঘ্রই বিরক্ত হয়ে অন্য খেলা শুরু করত। লুকোচুরি খেলার সময় সবাইকে লুকিয়ে থাকতে হয়েছিল এবং টিঙ্গুকে তাদের খুঁজে বের করতে হয়েছিল। বাঁশি বাজাতেই সবাই পালিয়ে গেল আর টিঙ্গু চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইল। সে ভাবল সবাই নিশ্চয়ই নিজেকে আড়াল করে জোরে জোরে বলবে, ‘এবার…

Read More

সদানন্দ সিংহের ছড়া
সদানন্দ সিংহের ছড়া

উদয়বাবু সদানন্দ সিংহ উদয়পুরের উদয়বাবু, জিরিয়ে নেয় বিশ্রামগঞ্জে। পাত্রমিত্র সঙ্গীসাথী মামা চাচা ভাই সঙ্গে। তারপর এবার ঘোড়ায় চেপে পৌঁছে গেলো চড়িলাম। সঙ্গীসাথীরা হেঁটে হেঁটে বলে, রাজপাট মোরাই গড়িলাম। সিপাহিজলার সিপাহিরা বিশালগড়ের বিশাল দুর্গে, তামাক সেধে ক্লান্ত হয়ে উদয়বাবুতে আস্থা রাখে। সেকেরকোটের কোট পরে, আমতলির আম খেয়ে, উদয়বাবু শেষমেষে আগরতলায় আগর খোঁজে।

Read More