প্রিয় পাঠক

# এটা JULY-AUG 2026 সংখ্যা # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ।

ক্ষ্যামা দাও — সদানন্দ সিংহ
ক্ষ্যামা দাও — সদানন্দ সিংহ

ক্ষ্যামা দাও সদানন্দ সিংহ সকাল থেকেই কানে কেবল এক গানের কলি ভেসে আসছে, “বাবা গো, ফোড়ন দাও ফোড়ন দাও। তোমার নয়নতলে চরণতলে স্থান দাও।” এই সুরের সঙ্গে দামামার এক শব্দ। অথচ এই সুরটা আমি আগে জীবনেও শুনিনি, গানের গায়ক আছে কিনা তাও জানি না। আর আশ্চর্য কলিটা বারবার আমাকে বাজাচ্ছে। তবে কি আমার মতিভ্রম হয়ে গেল? একটু চিন্তায় পড়ে গেলাম। এইসময় দেখলাম, সেনাপতিদা বাজারের থলি হাতে রাস্তায় হেঁটে যাচ্ছেন। মাঝে মাঝে সেনাপতিদা আমার কাছে এসে অনেক উদ্ভট পরামর্শ চান।…

Read More

দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

ওলনদড়ি দিশারী মুখোপাধ্যায় ও-কণা আর আমি-কণা দিয়ে তৈরি এই জগৎ। কোনো কোনো কণা বিশারদ ও-কণাকে সে-কণা, তুমি-কণাও বলে থাকে। ক্ষীর প্রস্তুতকারক, যুগে যুগে যাদের কবি বলা হয়, যারা ওর রূপ বর্ণনার জন্য বিশেষণ খুঁজতে খুঁজতে ওম পর্যন্ত গেছে বারবার, তারা ওর বিমূঢ় প্রেমিক কেবল। ওজস্বিনী ওই ও-কণার উপর একটা হাল্কা ওড়না থাকে পৃথিবীর যাবতীয় আমি-কণাকে সংযত রাখার জন্য। সে আবরণ সরালেই বিগ-ব্যাঙ অনিবার্য হয়। ঔদার্য দিশারী মুখোপাধ্যায় ঔপন্যাসিকরা তাঁদের গল্পে (আমার চরিত্র এতটাই হীন) চরিত্রহীনের চরিত্রেও আমাকে নেননি। সেই…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা

ফুল সেও দেয় ব্রতীন বসু ফুল সেও দেয় যে অবহেলিত শুধু তার গতি নিজের মত। আমাদের বারান্দার এক কোণে রাখা ভাঙা টবের গাছটার মত কখনো দেখি তাকে অনেক দিন ভুলে যাই সে চলে তার নিজের ছন্দে। ফুল সেও দেয় যে অবহেলিত নয় শুধু তার সৌন্দর্য স্বাভাবিক, অবাক হই না ওকে দেখলে।

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on ব্রতীন বসুর কবিতা
উমা মণ্ডলের কবিতা
উমা মণ্ডলের কবিতা

আমি সাদা পাতা ও শব্দ ঈশ্বরী উমা মণ্ডল ১ মহাশূন্যের সম্মুখে বসে থাকা হাত পেতে আঙুলের ঠোঁট বেয়ে উঠে আসা সদ্যজাত প্রিয় শব্দরূপ ভ্রূণ ছিল এইমাত্র, খুলে গেল মিশ্রকলাবৃত্ত অগোচরে। যদি বলো বেখায়ালে মেনে নেব ধানসিঁড়ি থেকে ওঠা বাঁশি চরম বিপদ রাধিকার জপ ছেড়ে সে আমার গোঠে সেইসব স্রোত অকস্মাৎ উল্টে-পাল্টে চক্র কুলকুণ্ডলিনী বেয়ে ঋতুকাল মোহগ্রস্ত বশীভূত পথিকের ন্যায় চলাফেরা সে কি আমার আত্মজ অন্ধকূপে বেড়ে ওঠা কালবৈশাখীর তাপ আগুনের ভাষা বড়ো ক্লান্ত এই বাস জলভরা মেঘ ফিরে দেখেনা,…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on উমা মণ্ডলের কবিতা
মলয় মজুমদারের কবিতা
মলয় মজুমদারের কবিতা

খোঁজ মলয় মজুমদার নধর দুপুরের রোদ, ছায়াহীন মেঘের আশেপাশে তোমাকেই খুঁজে ফেরে অনেক পুরুষ। ভাঙা, শব্দহীন আকাশের পাশে একা তুমি, তোমাকেই খুঁজি আমি ভিড়রাতে তোমার কালো ভরাট শরীর, নদীও তোমার কাছে হেরে গেছে কয়েক যুগ, তারপরই তো আমি এলাম, হেরে যাবার জন্যে প্রতিবারের মতো। তুমি দেখালে তোমার বাড়ির যাতায়াতের পথ, তোমার স্কুল, বালিকার ফ্রক দুটো গলি পার করলেই পাবো তোমার ঠিকানা। আজ আঠাশ বছর আট মাস তেরদিন, হারিয়ে ফেলা মোবাইলটা আর কথা শোনে না। কথা বলে না কাগজ পেন্সিল,…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on মলয় মজুমদারের কবিতা
স্বর্ভানু সান্যালের কবিতা
স্বর্ভানু সান্যালের কবিতা

তর্পণ স্বর্ভানু সান্যাল কতকাল হল দাহটির পাশে বসে আছি চুপ করে প্রহর গড়ালো সন্ধ্যা নামছে এই প্রাচীন শহরে সম্পর্কের ভারে মাটি ডুবে আছে হতঃশ্বাস অশুচির মত রক্তে ও হাড়ে লেগে আছে পুরাতন। বিধিসম্মত। সূর্যাস্তের কালে এই সব গাঢ় রক্তিম ধরি চোখের তারায় রাত্রি পোহালে আসবে ন হন্যতে ক্ষীণকায় অদৃশ্য প্রায় তৃষিত হৃদয় বসে থাকে সেই আশে অতৃপ্তের মত রিক্ত অপচয় জেগে থাকে প্রাণে। সম্পর্কের ক্ষত। সে যে বড় ছিল কাছে…সে যে বড় আপনার জন কোন মন্ত্রে বলো কবি আমি…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on স্বর্ভানু সান্যালের কবিতা
সুজিত বসুর কবিতা
সুজিত বসুর কবিতা

চিত্রপটে রাজকুমারী সুজিত বসু কখনো আসে আনন্দ আর কখনো ঘন শোক কখনো সুখের শ্রাবণধারা, দুঃখে কড়া রোদ কখনো জ্বলে নিয়নবাতি, কখনো চন্দ্রালোক দুর্গ ভাঙে সেনানী ছয়, লুপ্ত প্রতিরোধ বৃথাই আমি একাকী লড়ি, বৃথাই ছুঁড়ি তীর আকাশ ভরে ভস্মমেঘে, ঝিলিক দেয় আশা ক্ষণিক সুখে মগ্ন, ভুলি ছলনা অশনির দস্যু ছয়ের অস্ত্রাঘাতে ছিন্ন ভালোবাসা জানি না কেন তবুও করি অলীক আয়োজন ভেনাস দেবী আরাধনার, নৌকো কেন জলে ভাসাই যাতে আসবে কেউ একান্ত গোপন অভিসারের ঘোমটা পরে নীরব কৌতূহলে টুকরো এই স্বপ্ন…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on সুজিত বসুর কবিতা
হামিদুল ইসলামের কবিতা
হামিদুল ইসলামের কবিতা

আগুন হামিদুল ইসলাম ক্লান্ত পায়ে তখনও দাঁড়িয়ে জীবন কথাঘরে অকথার বদ্ধ উবাচ স্বরবর্ণের দেশে আজও ভুখা মিছিল। গলছে ফুটপাত কারা আসে কারা যায় খোঁজ রাখে না তোতা বোষ্টমী কেবল তোতা হয়ে কন্ঠ মেলায় একতারার মায়ায় আমরা ভুলতে থাকি সব কথা একে একে পটে আসে রাজা ও রানী শাসনের নামে চলে শোষণ দুর্বৃত্তের বর্বর অত্যাচার তখনো বুকের ভিতর জর্জরিত আঘাত চেনায় অশরীরী আগুন আগুন পোড়ে রাজপথ আগুন পোড়ে কথা আগুন পোড়ে সম্পর্ক। পুড়ে যায় বুকের ভিতর নীল দরিয়া এ আগুন…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on হামিদুল ইসলামের কবিতা
নীতা বিশ্বাসের কবিতা
নীতা বিশ্বাসের কবিতা

কতখানি নীতা বিশ্বাস কতখানি কাছে এলে লতা-গুল্ম হয়ে যায় মন! যেন এক সুর তোলা অনন্ত বাঁধন… পাতায় মুর্ছনা নিয়ে সোহাগী চাঁদের সাথে জলসা বসাই আসরের চমৎকৃত ধুলো দিয়ে মনটি রাঙাই ভালোবেসে… গানের কলির গায়ে আতরগন্ধী কত স্নান লেগে থাকে গান ফোটে কলি ফোটে লতাগুল্মের স্তরে স্তরে রাগ ফোটে নম্র অনুরাগে নিজস্ব নদীটির কলস্বিনী শাখায় শাখায়… দুইজনে কতখানি কাছে এলে এ পৃথিবী একটিমাত্র দেশ হয়ে যায়… দীর্ঘ চলাচল নীতা বিশ্বাস বটের ঝুরির কাছে দীর্ঘ অতীত শুনতে যাই আমাকে সে বেঁধে…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on নীতা বিশ্বাসের কবিতা
সুবীর ঘোষের কবিতা
সুবীর ঘোষের কবিতা

এবার শীতের জড়ঘুমে সুবীর ঘোষ ভালো নেই একা নারী; পুকুরের জলেও থাকে না স্রোত; অবেলায় দুটো ভাত; যন্ত্রণার কাঁটা ফোটে পায়ে। শিমের লতার নীচে জল দেয়; এবার শীতের জড়ঘুমে লণ্ঠনের কালি চেঁছে অনুযোগ মেনে নেবে হাতে। ভালো ছিল একা নারী রঙতুলি হারিয়ে ফেলেও; কবে যেন বৃষ্টিপাত ? শেষবার ঘন বৃষ্টিপাত! সন্ধে জুড়ে সোঁদা গন্ধ; মন্দিরের কুঁড়েমি ভাঙেনি, আশ্চর্য শীতের রাতে কুয়াশারা বেলুন ফাটাত।

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on সুবীর ঘোষের কবিতা