প্রিয় পাঠক

# এটা SEPT-OCT 2026 সংখ্যা # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী NOV-DEC 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে NOV মাসের ২০ তারিখ।

সদানন্দ সিংহের ছড়া
সদানন্দ সিংহের ছড়া

প্রমাদ সদানন্দ সিংহ বালাই ষাট, বালাই ষাট, কী যে কর্ম করিস ভাই। গাড়ি-ঘোড়া কত গেল, মোড়ামুড়ির খেল হল, ভক্তজনের তালি এল, হুজুর যে তবু রেগে কাই। এবার আবার শব্দছক, রহস্য জানেন ভবানন্দ। জলসা হল রমরমা, বিউগল নিয়ে দামামা, সেই সঙ্গে হলপনামা, বাবু যে তবু বলেন মন্দ। রূপনগরের রানি এলেন, সঙ্গে রাজা মণিকান্ত। গোল গোল্লা রসগোল্লা, তারপর আরেক মহল্লা, শেষে আবার ভীষণ হল্লা, মশাই তবু কেন বিভ্রান্ত !

Read More

দুটি ফালতু কথা – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য
দুটি ফালতু কথা – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য

দুটি ফালতু কথা    (ছোটোগল্প) ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য গল্প ১ এমন একটা যে কিছু হবে তার আগাম কোনো আভাস ছিলো না। বিকেল বেলায় গ্রামে ফিরে আকাশ থেকে পড়ে বিপিন। বিপিন হাঁসদা। শোনে বানেশ্বরী মাঠে নাচ গান হচ্ছে। আজ নাকি বিশেষ দিন। খুশির দিন। কিসের খুশি, ভেবে পায় না বিপিন। হাঁটা দেয় বানেশ্বরী মাঠের দিকে। মাঠে পৌঁছায় বিপিন । দেখে এলাহি ব্যপার। আনন্দ আর আনন্দ। ছেলে বুড়ো সবাই নাচে। মাদল আর ধামাসের বাজনা ঝড় তুলেছে সবার মনে। অবাক হয়ে দেখে…

Read More

ব্রতীন বসুর কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা

জল দাও জল খাবো ব্রতীন বসু আমাদের পাড়ায় একটা পাগল ছিল, কেউ কাছে এলেই বলত, জল দাও জল খাবো। কেউ জল দিলে গেলাসে ভাঁড়ে কিংবা বোতলে ফেলে দিত জলটা দিয়ে ছুঁড়ে দিত সজোরে পাত্রটা যে দিয়েছে তার দিকে আমি দেখিনি, লোকমুখে শুনেছি লুকিয়ে লুকিয়ে নাকি রাস্তার কলে জল খেত, কেউ এলেই সরে যেত, বলত জল দাও, জল খাবো। এও নাকি এক ধরনের অভিমান, এক এনজিও থেকে ডাক্তার এসে বলেছিল, পাগলটা একদিন একটা পুকুরে ঝাঁপ দিয়েছিল বলতে বলতে, জল দাও…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

আজ কাল পরশু শুভেশ চৌধুরী আজ কাল কেউ কথা রাখে না ছিনিয়ে নেয় আশ্বাস কথা রাখতে না পারা এখন বিলাস যারা কথা রাখতে পারে না তাদেরই নারী জমি জিরেত ইতিহাস ভূগোল বোঝা যাচ্ছে সব কিছু পাল্টে যায় পাল্টে যায় নদীর স্রোত  মানুষের স্রোত  হরিপদ ঈশ্বর বিশ্বাস করেও পায়নি পরিত্রাণ  নবারুণও নতুন সূর্য নিয়ে উপস্থিত কাহাকে ধরি  কে পরিত্রাতা  নিজেকে বিশ্বাস, সাহায্য না করলে  পাবে না ঈশ্বর  বা, সে বাঁশির সুর যার সুরে সুরে হবে পথ চলা ক্লান্ত লাগছে ধরণী…

Read More

সতীদাহ – ব্রতীন বসু
সতীদাহ – ব্রতীন বসু

সতীদাহ     (অনুগল্প) ব্রতীন বসু রনু, যেদিন তুই চলে গেলি রুনু লরির তলায়, তোর কলিগ জিয়ার সাথে হোটেলে রাত কাটিয়ে সতীসাধ্বী স্বামীর মত বাড়ি ফেরার সময়, সেদিন ভোরে আমি গ্যাস জ্বেলে দিয়েছিলাম। মরিনি। জ্যাকি আমাকে টেনে টেনে নিয়ে এসেছিল। দিয়ে সামনের ফ্ল্যাটের কাকিমাদের ঘেউ ঘেউ করে ঘুম থেকে তুলেছিল। মনে আছে তুই রাস্তা থেকে কুড়িয়ে এনেছিলি ওকে। আমি বলেছিলাম নেড়িকুত্তা রাখবি? তুই বললি, নাহলে যে গাড়ি চাপা পড়ে মরে যাবে। আমি মরিনি, কিন্তু গায়ে পোড়া দাগ রয়ে গেছে। মাঝে…

Read More

গুলশন ঘোষের কবিতা
গুলশন ঘোষের কবিতা

যাত্রী গুলশন ঘোষ দেখতে দেখতে নিজেরই জ্ঞাতে-অজ্ঞাতে দিনগুলি রেলগাড়ির এক-একটা কামরার মতো জীবনের প্ল্যাটফর্ম ছেড়ে যাচ্ছে বেরিয়ে দ্রুত সামনের প্ল্যাটফর্মের অপেক্ষায় থাকি, চলার সময়; আর ক’টা আছে বাকি। দূরত্ব ক্রমশ কমতে থাকে অতীত বাড়ার সাথে সাথে থামায় আর চলায় কাটে ঘোর ডাকে আয়! ‘সময় হয়েছে তোর’ সময়ের তারে তার বাঁধা ঘর পেরিয়ে এসেছি আমি ক্ষণিকের অবসর। যাওয়া আর আসা তারই মাঝে শুয়ে থাকে নিঃসঙ্গ প্ল্যাটফর্ম।

Read More

ছুটি – হেলেন লেকুক
ছুটি – হেলেন লেকুক

ছুটি          (অনুগল্প) হেলেন লেকুক   (আমেরিকান গল্প, ইংরেজি থেকে অনুবাদঃ সদানন্দ সিংহ)  ডরোথি অ্যান্ডারসন সমুদ্রকে সমানভাবে ভালোবাসতেন এবং ভয় করতেন। তিনি তার মিছরি রঙের সৈকত কুঁড়েঘরের দরজায় একটি ডোরাকাটা চেয়ারে দীর্ঘ গ্রীষ্মের দিনগুলি কাটিয়েছিলেন। আজ তার আনন্দ হয় এক পরিবারকে দেখে, যেখানে বাবা-মা ডেকচেয়ারে বিশ্রাম নিচ্ছে, ছোট্ট মেয়েটি বালির দুর্গ তৈরি করছে এবং সাজাচ্ছে, এবং ছেলেটি বালি খনন করছে। তারা চলে যাওয়ার সাথে সাথে জোয়ার ভেসে আসছিল, এবং ডরোথি তার পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত ভিজানোর জন্য তাড়াহুড়ো…

Read More

সুদীপ ঘোষালের কবিতা
সুদীপ ঘোষালের কবিতা

চন্দ্রাবলীর সংসার সুদীপ ঘোষাল আমাদের জ্যোৎস্না রাতের ঘর দুজনে দুজনের দেহে আলো মাখাই মন জুড়ে ক্যাপসিক্যামের আদর আলুপোস্ত আর মুগের ডালে রসনা তৃপ্ত ঝাল লাগলে জলের স্নেহ মাখি…ওপাড়ে যে কুটির দেখা যায় গোলাপ ঘেরা তার পাশ দিয়ে বয়ে চলে ঈশানী নদী দুপুরে শ্রমিকের ঘাম ধুয়ে দেয় উদার কুলুকুলু স্রোত ওটাই আমাদের শীতল আশ্রয়ের আদর আমি মাঠে কাজ করে ফিরি যখন ঈশানীর হাওয়ায় দোলে প্রতীক্ষারত চাঁদমুখ খুশির হাওয়ায় জেগে ওঠে রাঙা সূর্যের রোদ চন্দ্রাবলীর পরিশ্রমের ঘাম চেটেপুটে খাই খিদের পাতে……

Read More

সুজাতা ভৌমিকের কবিতা
সুজাতা ভৌমিকের কবিতা

সময় আমায় সুজাতা ভৌমিক সময় আমায় দেখিয়েছে   পথ বিপদ কালে সময় আমায় শিখিয়েছে   তাই কঠিন হতে সময় আমায় করিয়েছে মনে   দুঃখ দিনের গান সময় আমায় দিয়েছে ফিরিয়ে   ফুরিয়ে আসা প্রাণ সময় আমায় চিনিয়েছে তোমায়   তোমার ব্যাপ্তি জুড়ে সময় আমায় দিয়েছে ‘তোমায়’   উপহার করে     তাই, সময়কে আজ সময় করে   দিলাম তোমার হাতে।

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

ঋতুচক্র সদানন্দ সিংহ ইচ্ছে হলেই সব কিছু থেকে বেরিয়ে আসা যায় ইচ্ছে হলেই সব কিছুতে সঙ্গে থাকা যায় ইচ্ছে হলেই আবার শূন্যে ভাসা যায় আমাদের পারস্পারিক স্থিতিস্থাপকতা আমাদের দিক্‌নির্দেশ আমাদের বাকচাতুর্য, শ্রেণিঘর বিলাসিতা জানি, সব জানি শেষটাও জানি — জানি প্রারম্ভ, মধ্যান্তর কিংবা প্রাগৈতিহাসিক পদযাত্রা তাই ডাইনোসরের ডিম খোঁজাকে আমি ঋতুচক্র বলি

Read More