প্রিয় পাঠক

# এটা MAY-JUNE 2026 সংখ্যা # পরবর্তী JULY-AUG 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JULY মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী JULY-AUG 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JULY মাসের ২০ তারিখ।

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

সীমানা সদানন্দ সিংহ আবদ্ধ হাওয়ায় বেঁচে আছে কতো সজীব কোণ এই কোণে আমি, হয়তো ওই কোণে তুমিও ওখানেই সিন্ধুরাত নামে, পাশা দানে মত্ত কোনো বাজ ওখানেই হিসেবহীন কান্তরাজ তবু ভোর হয়, পাখি ডাকে শুধু সপ্তরথী আসে না ওখানে বাহাদুরি কানায় কানায়, উপচে উঠে ছল কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যায় কালো প্রান্তর লোকে বলে, কারুর পৌষ মাস কারুর সর্বনাশ আমি তো বলি, সীমানা জুড়েই এখন মল মাস

Read More

অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা
অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা

যোগাযোগ  অভিজিৎ চক্রবর্তী বৃষ্টি পড়ে কোথাও পাহাড়ে চোখ বুজে দেখি– সেখানে কোনও এক নিমগ্ন বাজারে ধোঁয়াচ্ছন্ন টঙঘরে একটি মেয়ে চুলা জ্বেলে বসায় চা, তার চুলে গোঁজা সাদা ফুল– কিছুই জানে না না স্বর্গ না পাপ,  মাঝে যে হলুদ বিন্দু  কাল রাতে অভিমানে আরো গাঢ়, বুকে যে মেঘ দীর্ঘশ্বাসে জমে– সেই বিষাদ লেগে ভিজে যায় আমাদের শহর– চারদিকে চাপ চাপ আশঙ্কার কাদা দিন শেষে এর ভেতরেই এক চিলতে রোদ– ইহজন্মের শান্তি, যদিও বর্ষাকাল সমতলে হৃদয়-আকাল তবু তার বিস্ময় লেখার জন্য…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

অভূতপূর্ব শুভেশ চৌধুরী অভূতপূর্ব মানে যা কিছু ঘটনা ঘটে নাই পূর্বে অথচ সব কিছু পূর্বের তাই ঘটে। চলেছে এখনও। মা যশোদা মা দেবকী দেখতে পাবেন এখানে ওখানে অভূতপূর্ব সংসারে ম্যাথাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজ করে পুরাটা রোবট হইল না তবু কেউ না কেউ তাকে বা তাহাকে অধিকার করতে চায় সদয় শুভেশ চৌধুরী সদয় এর যত গুণ ও প্রযুক্তি তাহা নির্দয়ের নাই আমি হিসাব নিকাশ করে দেখি ৮০ ২০ হয়। কিছু ভুল কিছু শুদ্ধ এইতো সংসার বা জীবন যাত্রার মান

Read More

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

শূন্য প্রভঞ্জন ঘোষ শূন্য ভালোবাসি- ফাঁকফোকরের ডানায় চেপে পালক-শূন্যে ভাসি। শূ্ন্য থেকে- মহাশূ্ন্যের দিকে যতই চক্ষু চলে আলো ততই বেড়ে থাকে। কালোর অন্ধ অণুগুলি প্রকাশ হয়ে ওঠে, বাঁশির রন্ধ্রে ততই হাওয়ার মধুর লহর ছোটে। জৈব দেহের কণাগুলি তখন অতি ভারি, তখনই বেগ প্রবল অতি তীব্র, সরাসরি! শূন্য নিয়ে খেলা- চিরন্তনী ফাঁকা কখন, সংখ্যারাশির মেলা।

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

স্বয়ম্ভূষ্ম সমর চক্রবর্তী কত আর পালানো যায় ? প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর থেকে পালাতে পালাতে দেখি, দাঁড়িয়ে আছি নিজেরই কাছে ! সারা আকাশ পাতাল ও পৃথিবী ক্ষতবিক্ষত করতে করতে গোপন কথাটি রটে যায় লাশের কোন ওয়ারিশ নেই !

Read More

রুবেল আহম্মেদের কবিতা
রুবেল আহম্মেদের কবিতা

ড্রাই বাইট রুবেল আহম্মেদ নখের আঁচড়ের যে দাগ শরীরে ল্যাপটে আছে তা এখন কালো রং-এ পরিণত হয়েছে শুরুতে কিন্তু লাল ছিলো জ্বলন্ত সিগারেট এর মত লাল। আচ্ছা নখের আঁচড়ে নিশ্চয়ই বিষ নেই আমি যতদূর জানি। তবুও কি নির্মম ভয়ংকর সুন্দর দেখতে মনে হয় সুচ আর সুতোর দারুণ মিশ্রণ ক্ষতটা। অভিশাপ্ত মানচিত্রও বলতে পারো। তবে এখানে মরণ নেই, আর্থ্রাইটিস আছে। হয়তো দাগটা থেকেই যাবে যেমনটা থেকে যায় জন্মদাগ। স্পর্শ রুবেল আহাম্মেদ অথচ তুমি ছুঁয়ে দিলেই রোদের পাহাড় হয়ে যেতো মেঘের…

Read More

রাহুল শীলের কবিতা
রাহুল শীলের কবিতা

সংক্রমণ রাহুল শীল বিরহের বিষাক্ত আবছা শেষে যে ধ্রুবযুবক ফিরে আসে সুস্থ হয়ে তার কাছে এই পৃথিবী বিষাদপ্রতীক। নিবিড় ধ্যানযোগ কিংবা সান্ধ্য প্রার্থনা সূত্রে সে হয়ে ওঠে জীবনানন্দ। প্রণয়দোষ কাটিয়ে যারা বিবাহ কাতর হয়ে ওঠে, তাদের মতো আশ্চর্য স্মৃতিকোষের খোঁজে কত যুবক আত্মহত্যা প্রবণ, কেউ জানো ! প্রণয় ব্যথিত কবিরা শূন্যতা নামক যে ফাঁদ পেতে দেয় আমি বলি তাকে সংক্রমণসূচক আবিষ্কার।

Read More

গুলশন ঘোষের কবিতা
গুলশন ঘোষের কবিতা

গোত্রান্তর গুলশন ঘোষ ছেলেবেলায় সাধুখাঁদের দোকানে চানাচুর, ঝাল কড়াই, নিমকির বয়ামে আটকে যেত আমার মন – কিনে খাওয়ার সামর্থ্য ছিল না তখন। যখন কেনার ক্ষমতা হল — উঠে গেল মন খাওয়ার ইচ্ছেটাই মরা গাঙে দাঁড় ঢেলে এখন। আরও আরও কতই না ইচ্ছে ছিল এমন জিভে জল আনা—রসনাকে করত শাসন। শুধুই কী রসনা— স্কুল বক্স, সাইকেল-সাথে ডায়নামো হাত ঘড়ি, অথবা দু’সেট স্কুল-ড্রেস, ফিতে আঁটা জুতো ছিল না কিছুই। তবুও বিলাসী জ্যোৎস্না রাতে সাধ ছিল জেগেছে কত। একদিন ভালোবাসাও পাগলের মতো-…

Read More

এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা
এ কে এম আব্দুল্লাহের কবিতা

অন্তর্বাস এ কে এম আব্দুল্লাহ আঙুলের ডগায় ঘোড়া রেস শেষ হলে, জকিদের মৃত্যু হয়। আর ঘোড়াগুলো—উইপে’র গায়ে লেগে থাকা আর্তনাদ মেখে দৌড়াতে থাকে মরুর দিকে… আর আমরা যাদের গলে বিজয়ের লকেট পরাব বলে স্থির করেছি, তারা নিজেদের অফ্-মুড ঘোষণা করে এনজয় করে অন্তর্বাসের ছায়ায়। এভাবে একদিন ইমিটিশন শহরের রাত শেষ হলে, পাহাড় ফেটে নেমে আসে বহুযুগ পুরোনো খুরের আওয়াজ। তাদের রস ভরা ঠোঁট শুকিয়ে ফ্যাকাসে হয়ে যায়। কেঁপে ওঠে কাগজের জমিন। আর তখন অন্তর্বাসের জং ধরা হুক থেকে পালাতে…

Read More

কিশলয় গুপ্তের কবিতা
কিশলয় গুপ্তের কবিতা

মন খারাপের কবিতা কিশলয় গুপ্ত তোমার ঘরে ঘর বেঁধেছে অন্য কেউ আর কী তুমি থাকতে পারো উনুন আঁচে বুকের উপর হাতটা রাখো, সহস্র ঢেউ ফসফরাসের মাথায় বসে দিব্যি নাচে। অভিমানী জলভরা মেঘ উড়েই চলে গান কখনো মানতে পারে অনুশাসন নিন্দুক ঝড় যতই ভারি হোক না দলে লক্ষ ঘায়ে টাল খাবে না বুকের শাসন। এই তোমাকে ছুঁয়েই দিলাম দু’চোখ খুলে অন্য কেউ ঘর বেঁধে থাক তোমার ঘরে ঠিক ঠিকানা কবেই পাবে হরেক ফুলে জল হয়ে আজ ইচ্ছাগুলো পড়ুক ঝরে।

Read More