
খাবেন নাকি নিয়ে যাবেন
কিশলয় গুপ্ত
ধুলো পায়ে আসুন অথবা দামি জুতোর শব্দে
পাজামা পাঞ্জাবি অথবা ফর্মাল রঙিনে
শাদা কালো পেরিয়ে অথবা রামধনু হোক
আসুন তো আগে, অপেক্ষায় ফ্যান্টাসি।
এই রুপকথা রুপবানের শহরে বা গ্রামে
গালিচার ভিতরে পার্সি জ্যাকশন লুকিয়ে
রাখে তার অনাচার দৈবিক পিতৃপরিচয়
এই রুপকথা নাগরিক খণ্ডিত ইতিহাস।
ইদানীং কবিতার নামে ছাইপাঁশ লিখি আর
নাগপাশ ছাড়াতে ছাড়াতে চিৎকার করে
বলি – কবিতা লিখছি শালা, কবিতা লিখছি
সম্মান বানানে কে কে বাঁধা বলে যাও।
অনন্ত ঘুঙুর রহিবে বুকের গহীনে প্রেয়সী
তুমি তো জানো না কী আশায় বাঁধে ওরা…
কটা অধ্যায় শেষ করলেই তোমার আমার
ফুলচচ্চরি জীবনের গান শেষ। ব্যাস, আর কী!