প্রিয় পাঠক

# এটা JULY-AUG 2025 সংখ্যা # পরবর্তী SEPT-OCT 2025 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী SEPT-OCT 2025 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ ।

মনের মানুষ – সুদীপ ঘোষাল
মনের মানুষ – সুদীপ ঘোষাল

মনের মানুষ    (অনুগল্প) সুদীপ ঘোষাল অসীম গরীব হলেও সুখী। সে দশটা ছাগলের মালিক। ফাঁকা মাঠের ধারে মাটির ঘর। সেখানেই সে তিরিশ বছর ধরে বাস করে একা। দরজা খুলতেই দেখে তার মনের মানুষ, পিয়া, মাথায় সিঁদুর পরে দাঁড়িয়ে আছে। চোখে তার জল। অসীম যখন কুড়ি বছর বয়সের যুবক তখন ভালোবেসেছিল পিয়াকে। কিন্তু একজন চালচুলোহীন অপদার্থ ছেলের হাতে পিয়াকে দেয় নি,তার বাবা, মা। পিয়ার বিয়ে হয়েছিল রোজগেরে মদনের সঙ্গে। তারপর থেকেই পিয়া সংসারের বোঝা টানতে টানতে হাঁপিয়ে ওঠে। পান থেকে…

Read More

সদানন্দ সিংহের ছড়া
সদানন্দ সিংহের ছড়া

খয়ের খাঁ সদানন্দ সিংহ লোকটি হলেন খয়ের খাঁ। হুজুর হুজুর বললেই যিনি হাসিমুখী হয়ে তিনি পিঠে দেন খুশির ঘা। কেউ যদি বলে, মামা। বা হুজুর হুজুর না বলে দেখেও না দেখার ভান করলে রাগে তিনি অগ্নিশর্মা। হিসেব চলে, কে শত্রু কে মিত্র কাকে জমাবে, কাকে দমাবে মালার ভাগী কে হবে আঁকেন তিনি চিত্র-বিচিত্র। উঠোন ধ্বংসে মত্ত তিনি তোয়াক্কা করেন না কাউকে দুর্গন্ধ খুঁজেন শুঁকে বাঞ্ছারামেরও আপদ ইনি।

Read More

ঘুণপোকা – সুদীপ ঘোষাল
ঘুণপোকা – সুদীপ ঘোষাল

ঘুণপোকা        (ছোটোগল্প) সুদীপ ঘোষাল রতনের স্ত্রী সাতসকালে জানিয়ে দিলো জানালায় ঘুণ ধরেছে। প্রায় চারমাস বর্ষাকালে পশ্চিম ধারের জানালাটা খোলা হয়নি। ঘুণ এমনভাবে  ধরেছে, জানলার একটা পাটা খুলে নিচে পড়ে গেছে। রতন বললো, তোমাকে রোজ একবার করে খুলে যত্ন করতে হতো। আমি তো বাইরে কাজে থাকি। বউ বললো, কি করবো। আমি দেখিনি। নিচের জানালাটা বন্ধই থাকে। যাই হোক ঘুণ তো কেউ  ইচ্ছে করে ধরায়নি। কালে কালে সব কিছু সময়ের ঘুণে খেয়ে নেয়। রতন ভাবলো, জানালাটা পুরোটা বন্ধ…

Read More

ফ্রেণ্ডস – সদানন্দ সিংহ
ফ্রেণ্ডস – সদানন্দ সিংহ

ফ্রেণ্ডস     (ছোটোদের গল্প) সদানন্দ সিংহ রবিবার বিকেলে হঠাৎ দেখলাম আমাদের বাড়ির ঠিক পেছনে কাঁঠাল গাছের নিচে একটা শিশু কাঠবিড়ালী মাটিতে পড়ে আছে। ভাল করে লক্ষ করে দেখি ওটা নড়ছে এবং আস্তে আস্তে সামনের দিকে এগোচ্ছে। আমাদের কাঁঠাল গাছটা বিরাট বড়। অনেক কসরৎ করে আমি মাঝে মাঝে এই গাছে চড়ি। তারপর অনেক ওপরে উঠে বসে থাকি। ওপরে উঠে বসে থাকলে আমাকে আর কেউ খুঁজেও পায় না। এই গাছে অনেক কাঠবিড়ালী দৌড়াদৌড়ি করে প্রায়সময়েই। হয়তো এই গাছের কোন কোটরে ওদের…

Read More

মৃণাল ও একটি অনবহিত সিনে সংবাদ – শাশ্বত বোস
মৃণাল ও একটি অনবহিত সিনে সংবাদ – শাশ্বত বোস

মৃণাল ও একটি অনবহিত সিনে সংবাদ  (ছোটোগল্প) শাশ্বত বোস খুব ভোরের জেদি একগুঁয়ে ধোঁয়া আর ছেঁড়া ছেঁড়া বাক্স পুঁটুলি থেকে ভেসে আসা ভ্যাপসা গন্ধের মিশেলে, ভিজে যাওয়া সংস্কৃতিশূন্য সকালটার একটা নিজস্ব গন্ধ আছে। গরম ভাতের ফ্যান, ডাস্টবিনে ফুলে ওঠা মাছ কিংবা সারা রাত জেগে বাজারটার এক কোণায় পড়ে থাকা মুটে মজুরের গায়ের তেতো ঘামের গন্ধ, সব কিছু মিলে মিশে গিয়ে একটানা পচা একটা গন্ধ তৈরি হয় এই সকালটার গায়ে। মশলা বাজারটা খুলতে এখনো দেরি আছে, এখন শুধু মাছের বাজারটা…

Read More

লোটাস ভ্যালি – সদানন্দ সিংহ
লোটাস ভ্যালি – সদানন্দ সিংহ

লোটাস ভ্যালি সদানন্দ সিংহ লোটাস ভ্যালির নাম অনেকেই জানেন, আবার হয়তো অনেকেই জানেন না। লোটাস ভ্যালি হল ভারতের মধ্যপ্রদেশের ইন্দোর জেলার হাটোদ তহসিলের গুলাওয়াত গ্রামের কাছে একটি উপত্যকা। লোটাস ভ্যালিকে গুলাওয়াত লোটাস ভ্যালিও বলা হয়। এই গুলাওয়াত লোটাস ভ্যালি যশবন্ত সাগর বাঁধের পিছনে জল দ্বারা গঠিত একটি প্রাকৃতিক হ্রদ। আপনি যদি এখানে আসেন তবে আপনি অবশ্যই হ্রদের উপর ১০০ মিটার সেতুর ঝলক দেখতে পাবেন। এখানে এসে আপনি হ্রদের মাঝে সুন্দর পদ্মফুলের মাঝে একটি মনোরম পরিবেশে মনের শান্তি নিয়ে সময়…

Read More

রণজিৎ রায়ের কবিতা
রণজিৎ রায়ের কবিতা

স্বপ্নের সিঁড়ি রণজিৎ রায় কবে আসবে তুমি ? তোমার আগমনের প্রত্যাশায় কপাট খোলা রেখে খোলা জানলায় পথ চেয়ে আছি বাতাসে বৃক্ষের পাতা কেঁপে উঠতেই হৃদয় খুলে প্রহর গুনি প্রহরের পর প্রহর অভিমান বরফের মতো জমে পাথরের মতো নিরেট হতে থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছে পৃথিবীর আয়ু ফুরিয়ে আসছে তোমার আমার কী হবে অন্য একটি জগৎ বিজ্ঞান মানে না তুমি কি বিশ্বাস করো আমি বিজ্ঞান পড়েও দিব্যি মেনে নিই প্রত্যাশায় উড়বো ত্রিভুবন অনন্তকাল ধরে। শরীরের সান্নিধ্য কি সব সুখের উৎস মনে দুঃখ…

Read More

কোথায় পাবো তাঁরে – বিজয়া দেব
কোথায় পাবো তাঁরে – বিজয়া দেব

কোথায় পাবো তাঁরে বিজয়া দেব পুরনো এলবামে ছবিগুলো দেখছি। সেই ছোটবেলা, দুরন্ত সময়, অফুরান প্রকৃতি, মা বাবা ভাইবোনদের নিয়ে সাদাকালো ছবি। স্মৃতি জাগানিয়া ছবিগুলো অত:পর বন্ধ করে আলমারিতে সযত্নে ঢুকিয়ে রাখলাম। বাইরে সন্ধ্যা নামছে। এদিকে ওদিকে ছাদে ঘুড়ি ওড়াচ্ছে একদল কিশোর ও যুবকের দল। অজস্র ঘুড়ি উড়ছে। আগামীকাল বিশ্বকর্মা পুজো। আকাশে পুঞ্জ পুঞ্জ নানা আকৃতির মেঘ, পাখিরা নীড়ে ফিরছে। আমার ছাদবাগানে ফুল ফুটেছে বেশ। বিশেষ করে গুচ্ছ গুচ্ছ রঙ্গন ফুলের সমারোহ। সবকিছু মন ভালো করে দেওয়া। প্রকৃতি মানুষকে ঢেলে…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

দেবীর মুখ শুভেশ চৌধুরী দেবীর মুখ থেকে সত্য বেরুচ্ছে অসুর তাকে নিশ্চিহ্ন করতে অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আসছে দেবী আমাদের গাঁয়ের মলিনা জানেন ঝাটা হাতে তিনি এই সব যুদ্ধের আবর্জনা দূর করতে পারেন অপূর্ব শুভেশ চৌধুরী অপূর্ব ক লিখলেও অপূর্ব। খ লিখলেও। অপূর্ব জানেন নামে মানুষে একই পরিণত হতে চাই সারাজীবন। রোজকার পরিশ্রম তার এই অপূর্ব হওয়ার

Read More

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

ব্যাটারি সনজিৎ বণিক ব্যাটারির খয়ে যাওয়া স্পৃহা দ্রুতগতিতে ঘড়ির কাঁটাকে পারে না জাগিয়ে দিতে, এক সময় থেমে যায় ঘড়ি, সময় বাড়ে। ভোরের শিশিরের শব্দেই গতিশীলতা কমে যায়, উবে যায় শিশিরবিন্দু সূর্যতাপে। ঘড়ির ভেতরে মরা ব্যাটারি গলে যায় মরা পোকামাকড়ের মতো, জঙ ধরে মৃতের শরীরের মতোই। ব্যাটারি পাল্টে দিতেই টিক টিক শব্দ মান-অভিমানের মতোই বুকের ভেতর তুলে রাখে রহস্যের বাড়াবাড়ি, জেগে ওঠে সময় ঘুম ভাঙে অ্যালার্মের নরম শব্দাবলীতে, জেগে থাকা ও জাগিয়ে রাখার মন্ত্রগুপ্তি তোমার কানে যেতেই ভালবাসার দুচার কলি…

Read More