প্রিয় পাঠক

# এটা JULY-AUG 2025 সংখ্যা # পরবর্তী SEPT-OCT 2025 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী SEPT-OCT 2025 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ ।

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

কমলাকান্ত সদানন্দ সিংহ কমলাকান্ত, একদিন তুমিই তো বলেছিলে শেষ থেকেও সব শুরু করা যায় গাঙচিলের ছোঁ মারা ফ্রিজ করা যায় মেঘে ঢাকা আকাশেও তারা দেখা যায় খালপাড়েও সাতরঙা ঘর করা যায় কেউ কেউ টের পায় — এক গভীর জলে বেহুলার ভেলা চলে কোন্ সে অতলে সাহস জোগায় এক অচিন মাঝি আর পালতোলা নৌকোয় পথ হারায় রহিমচাচা বারো মাস জুড়ে এখন অসংখ্য পার্বণ তার মাঝেই তিলোত্তমার অসংখ্য চিতা জ্বলে তবুও বলো, চিৎকার করে বলো, শীৎকার করে বলো কিংবা বলো নিঃশব্দে,…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

নির্মাণ সন্তোষ রায় তোমার জন্ম হয়নি এখনো, নিজেকে গড়ছো তাই। ছায়ার পেছনে তুমি তোমার পেছনে সূর্য সূর্য অস্তগামী। আরেক নারী, হাজারো রাত্রি পেরিয়ে পদ্মমূলে খুঁজছেন তোমাকে পদ্মনালে খুঁজছেন পরাগে সুগন্ধে খুঁজছেন। তুমি তখন নিদ্রার অতলে স্বপ্ন আছে, ভাষা নেই ডাকতে পারছ না মা বলে— শহরে এলে বলে সন্তোষ রায় মফস্বল ছেড়ে শহরে এলে বলে চিনলে স্তন যোনি। নদী এখনো পড়ে আছে একা দু’পারে ঘাস, পা ঝোলানো বসতি । নদীকে তো চিনতে তুমি দেখেছো তার বাঁকা কোমর তোমার তখনো বুকে…

Read More

সোহেল রানার কবিতা
সোহেল রানার কবিতা

বিলগ্রাম: জ্যোৎস্নাফুল সোহেল রানা এখানে জলের ভাঁজে ভাঁজে হাঁসের ফুর্তি উড়ুক্কু বাতাস আমরা দুজন মাটির বুকে গজিয়ে ওঠা দুর্বাঘাস। নিরাপত্তার চাদরে নয়, পাখির কলরব দুঃখ নয় কষ্ট ভোলার বসবাস কস্তুরির গন্ধভরা বিকেলে উদ্যত আকাশ; তুমিও পাখি হবে বাতাসের সাথে রাতের পড়শি দিন হবে — চাঁদ হয়ে ফুটে থাকা জ্যোৎস্নাফুল। উপাখ্যান সোহেল রানা বৃষ্টি পায়ে হেঁটে আনন্দচিত্তে রোদের কাছে যায়। আর ফরসা আকাশে কখন যে মেঘ হয় তা কেউই বলে দিতে পারে না। বৃষ্টি-রোদের মেলবন্ধে আকাশ আগুনে পুড়ে যায়! আহা…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

সচেতন সন্তোষ রায় ভয় হয় বলে লিখি না কিছু। যদি টেনশন বাড়ে, যদি মাথা ঘোরায়, গা বমি বমি করে? বি পি বেড়ে সংজ্ঞা হারাই? যদি কোনোদিন আর উত্তর না পাই! যদি ভেঙে যায় সব প্রেমের অক্ষর— এত নিরর্থক বাক্য বয়ে কোথায় যাব বলো? তার চেয়ে সব কথা চুপচাপ গিলে বসে থাকি। বাঁশি বাজুক, ফুল ফুটুক আমার হৃদয় কাটুক-না ইঁদুরে— অচেনা অজানা সন্তোষ রায় লিখতে লিখতে রচনা করি— মৃতগাছ, কাঁটাবন। বৃষ্টি নাই, বৃষ্টিও বুঝি পথ হারায়! পতনের ভয় থাকে সবারই।…

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

যাপন সমর চক্রবর্তী হে করমের গাছ! দিনের শেষে ক্লান্ত হয়ে রোজ রোজ, যতবার আমি তোর কাছে আসি; মুখ ফুটে বলা প্রতিটি কথা আশ্চর্য গান হয়ে উঠে! আর পা বাড়ালেই শুরু হয় আমাদের সমবেত নাচ। আমি আর কখনো যাবো না শহরে।

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

টেলিপ্যাথি সদানন্দ সিংহ এই তোর সুসময়, বিস্তারিত অবগাহন আর ধান ভানতে শিবের গান আর আমি এই চরাচরেই আটকে আছি। চিনচিন বেদনার সংকটময় সময় এক হাত দান কবে মেরে বসে আছি সুশীতল স্থান — কোথায় কেন কবে আর ভাবি না ভাবি না আর কোনো গুপ্ত অসম্পৃক্ত কথা কিংবা সাজানো মরূদ্যান জাগতিক চিন্তায় কাটানো জীবন, রক্তমাংসে গড়া পথ চলে গেছে বহুদূর, এক অজানায় বন্ধু, আমার এই টেলিপ্যাথি কি শুনতে পাচ্ছো ?

Read More

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

ব্যাটারি সনজিৎ বণিক ব্যাটারির খয়ে যাওয়া স্পৃহা দ্রুতগতিতে ঘড়ির কাঁটাকে পারে না জাগিয়ে দিতে, এক সময় থেমে যায় ঘড়ি, সময় বাড়ে। ভোরের শিশিরের শব্দেই গতিশীলতা কমে যায়, উবে যায় শিশিরবিন্দু সূর্যতাপে। ঘড়ির ভেতরে মরা ব্যাটারি গলে যায় মরা পোকামাকড়ের মতো, জঙ ধরে মৃতের শরীরের মতোই। ব্যাটারি পাল্টে দিতেই টিক টিক শব্দ মান-অভিমানের মতোই বুকের ভেতর তুলে রাখে রহস্যের বাড়াবাড়ি, জেগে ওঠে সময় ঘুম ভাঙে অ্যালার্মের নরম শব্দাবলীতে, জেগে থাকা ও জাগিয়ে রাখার মন্ত্রগুপ্তি তোমার কানে যেতেই ভালবাসার দুচার কলি…

Read More

রহিত ঘোষালের কবিতা
রহিত ঘোষালের কবিতা

অসীমে ঝাঁপ দেবে একাকী নদী রহিত ঘোষাল তুমি আমার বাড়ির ছাদে কাপড় মেলে আমার মিথ্যে গায়ে পরে একা একা চলে গেছ মহাসমুদ্রের কাছে ওখানে আমাদের সদ্যোজাতকে ভাসিয়েছ যেই দেখলে সেখানে তখন নদী এসেছে অসীমে ঝাঁপ দিতে সে তোমাকে দেখে আর কিছু বলতে পারেনি তার সমস্ত কথার মতো পলিমাটি সে ডুবিয়ে দিতে ভুলে গেছে তোমার হাতে স্যালাইন ফোটানোর ক্ষত থেকে বহুমূল্য মুক্তো ঝরে পড়ছে এসবের কিছুই তুমি আমাকে বলে যাওনি সব আমি জেনেছি বালিয়াড়ির থেকে শীতের রাতে শেষ বাসে তারপর…

Read More

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

তরঙ্গ প্রভঞ্জন ঘোষ তরঙ্গে মিশিয়েছো ব্রহ্মাণ্ড আমরা অপোগণ্ড সে তরঙ্গে যোগ করি না বন্ধ করি লেনাদেনা ভরিয়ে সকল অসার কণা করছি লণ্ডভণ্ড! ঝিঁঝিঁর ক্ষুদ্র মুখের থেকে এক তরঙ্গ উঠে জলতরঙ্গে নদীর বুকে এক তরঙ্গ ছোটে। এক তরঙ্গ পাখির মুখে এক তরঙ্গ গাছের এক তরঙ্গ শ্বাপদকুলের এক তরঙ্গ মাছের এমনি সকল শব্দকণা নিত্য অবশেষে তোমার অপার ইথার কণায় নিখুঁতভাবে মেশে। আমরা সুবোধ সুর ধরি না সুচারুময় ঠিক মিশি না কণায় কণা যোগ করি না কেবল খণ্ড খণ্ড, আপ্ত সদাই ব্যাপ্ত…

Read More

বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা
বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা

আবাহন বিশ্বজিৎ দেব এসো তুমি, যন্ত্রণার অতৃপ্ত জহর মরে গেলে যেরকম সব কিছু মনে হয় প্রেমের শহর এসো মুগ্ধতা, আমাদের এই সব খুনোখুনি, না লিখতে পারার সারারাত যন্ত্রণা এসো প্রতিরূপ, ফিরে না আসার দিকে চলে যাওয়া প্রতিটি মুহূর্ত আবলুশ ২ বিশ্বজিৎ দেব ওহে দ্রবণিকা, এসো সিরিয়াল দেখি হাত থেকে পড়ে গিয়ে কাচের গেলাস খান খান কান্নাকাটি, বিহ্বলতা দেখি এখন কি ভরা জুলাইয়ের মাস! চলো আকাশপ্রতিভা দেখি, কাপালিকা গুরু গুরু যামিনীর পলাতকা দেখি আমাদের নয়নাভিরাম আবলুশ, এরকমই পচে যাবে আঁশ,…

Read More