প্রিয় পাঠক

# এটা MAR-APR 2026 সংখ্যা # পরবর্তী MAY-JUNE 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAY মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী MAY-JUNE 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAY মাসের ২০ তারিখ ।

স্বপ্ন সহচর – শুভেশ চৌধুরী
স্বপ্ন সহচর – শুভেশ চৌধুরী

স্বপ্ন সহচর          (মুক্ত গদ্য) শুভেশ চৌধুরী স্বপ্ন ও বাস্তব একটি রেখায় চলে এসেছে। যাহা স্বপ্ন তাহাই বাস্তব আজকাল। আজকাল কিছু বিশৃঙ্খলা আছে। সুশৃঙ্খল অনেক কিছুই নেই। তবুও এর মধ্যে ভাত খাওয়া আছে। ভাত খাওয়ার মধ্যে স্বর্গীয় আনন্দ অনুভব করা যায়। সমীকরণ গুলো আজও অঙ্ক করেই প্রকাশ করতে হয়, সেই পুরনো নিয়ম একটুকুও পালটায়নি। যে-কোন বোতলেই একই রকম মদ। কিছু লোক আছেন সন্ন্যাসী। কাউকে মন্ত্র দেন না। মন্ত্রগুপ্তিরও ধার ধারেন না এমনকি কাউকে দীক্ষাও দেন না…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

ট্রেন ও স্টেশন সন্তোষ রায় দিন আর রাত কেবল দু’টোই স্টেশন। লোয়ার বার্থে ঘুম দিলে একঘুমে পৌঁছে যাই গন্তব্যে, তারপর শিস মেরে সেরে ফেলি সারাদিনের কাজ। ভিখিরি ভাবে না কেউ। তোমাকেই ভাবি বলে কিছু লিখি, কিছু টিপ মেরে বুঝে ফেলি ভেতরে বাদাম নেই। স্টেশন মাস্টার জানে আমি পাগল নই। ভিক্ষের নেশা আছে। জানু পেতে বসি– কী জানি কী দেবে আমায়! চাই ত অনেক কিছুই — সোনালি কাবিন চাই, সোনালি ডানার চিল চাই, আরো কত কী চাই — সোনার হরিণ,…

Read More

ভীমভেটকা – অজিতা চৌধুরী
ভীমভেটকা – অজিতা চৌধুরী

ভীমভেটকা অজিতা চৌধুরী 2014 সালে মধ্যপ্রদেশ ভ্রমণে যাই। অনেক মন্দির, তীর্থস্থান, শহর, নগর দেখেছি। কিন্তু ভীমভেটকা আশ্চর্য করেছে আমাকে। প্রাগৈতিহাসিক যুগের গুহামানবের আঁকা গুহাচিত্র। স্পেনের আলতামিরা গুহায় যে চিত্র আবিস্কৃত হয়েছিল পৃথিবীর লোক এতদিন জানতো সেটাই প্রাচীন। এখন এই গুহা এবং গুহাচিত্র ভারতকে অন্য জায়গায় নিয়ে গেল। গাইড নিলাম। প্রায় আটটা গুহায় নিয়ে গেল। গুহা গুলো বিশাল এবং অত্যন্ত মসৃণ। অনেক লোক থাকতে পারবে। গুহার দেয়ালে, ছাদে ছবি আঁকা। বেশিরভাগ চিত্র বাইসন, হরিণ শিকার, ঘোড়ার ছবি ও আছে। চিত্রকলার…

Read More

বহুরূপী – সদানন্দ সিংহ
বহুরূপী – সদানন্দ সিংহ

বহুরূপী       (ছোটোগল্প) সদানন্দ সিংহ সামনে একটা লোক এক কুকুরকে গলায় চেইন বেঁধে দৌড়ে চলে যাচ্ছে। কুকুরটা লোকটার আগে আগে দৌড়োচ্ছে। কুকুরটা কি ব্লাড হাউন্ড ? হতে পারে। বিলেতি কুকুরের জাত চিনে না কানাই। মানে কানাইলাল। দেশী কুকুর নিয়ে সে ঝামেলা নেই। সবগুলোই এক রকমের। মালিকদের পা চেটে যায়। যা পায় তাই খায়। কী রকম কুঁকড়ে থাকে সারা জীবন। পড়ে পড়ে ঘুমোয়। মাঝে মাঝে হাই দেয়। ব্যর্থতায় ভরা জীবন যেন। আর বিলেতি কুকুরেরা ? সুখ-স্বাচ্ছন্দ্যে ভরা জীবন এদের।…

Read More

বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা
বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা

ভ্রম বিশ্বজিৎ দেব যেসব বিদায় তুমি ভুলে গেছো এসব তারই প্রতীক, ফুরিয়ে যাওয়া চিমনির মুখ, নিরব টার্মিনাসের ইঞ্জিন কে ফুরালো তবে সকাল হওয়ার আগে ধোঁয়া না উনুন, শ্বাসের জানালা খোলা ঘর বহুকোষী ধাবা, কি ফুরালো তবে কাঠের মন্দিরা, থেমে থেমে ত্রিতালের ধুম যে সব পরিত্যক্ত খোলসের কথা তুমি ভুলে গেছো এসব তারই সর্পভ্রম, শীতের হালকা হাওয়া চমকে ওঠা করোটির ফুল! অবিকল বিশ্বজিৎ দেব আমিও তোমার মত এক ফুঁয়ে ঠিক উড়ে যাই আমাকে নাচিয়ে যায় হাওয়ার ফিরিঙ্গি দূর থেকে দেখা…

Read More

ব্রতীন বসুর কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা

এইটুকুই বেঁচে থাকা ব্রতীন বসু সুযোগ দেখলে আমি সন্ধানী হয়ে যাই বিপদ দেখলে ঢুকে পরি গর্তে, মন্দির দেখলে আমি স্বর্গে চলে যাই হুইস্কি পেলে ফিরে আসি মর্ত্যে। সবজির আগুন দাম তাই সবুজে অরুচি হয়েছে ভাতের বদলে মিলেট সেদ্ধ খাব ভাবি আনন্দ করি ভারত জিতেছে বলে অথবা লোন শোধ হলে আজ এইটুকুই বেঁচে থাকা থাক কাল হয়ত অন্য কোন দাবি। জমা আছে ব্রতীন বসু জমা জলাশয় মশা জন্মায় জমা কথা জন্ম দেয় কবিতা কেউ ভাল থাকে, কেউ প্রতীক্ষায়।

Read More

তৈমুর খানের কবিতা
তৈমুর খানের কবিতা

ভাষাহীন আজ তৈমুর খান আজ হৃৎপিণ্ড কথা বলতে চাইছে কিন্তু আশ্চর্য সে কথার কোনও শব্দ নেই নিষ্পলক চোখ কোনও দূরের দিকে তাকিয়ে আছে একা কাকে খুঁজছে ? কাকে ? কার সঙ্গে তার বহুদিন হয়নিকো দেখা? অনুভূতি একা একা কাঁদে ভাষা নেই তার, কোথা পাবে ভাষা? নীরবতা নিরুত্তর প্রশ্নের কাছে আসে প্রশ্ন শুধুই ব্যাকুল হয় উদাসীন বিকেলের কাছে একখণ্ড মেঘ ভেসে গেলে অলৌকিক ওড়নার গান মনে হয় সন্ধ্যা নামার ছায়ায় হেসে ওঠে আবছা মুখ দু-একটা নিশাচর অলক্ষে ফেলে যায় শ্বাস…

Read More

অমিতাভের বন্ধু – সদানন্দ সিংহ
অমিতাভের বন্ধু – সদানন্দ সিংহ

অমিতাভের বন্ধু        (অনুগল্প) সদানন্দ সিংহ গিন্নির শাকসবজির ফর্দ নিয়ে আমি বাজারের দিকে হেঁটেই যাচ্ছিলাম। এই সময় সিকিউরিটি গার্ডের পোশাক পরা একজন বৃদ্ধলোক আমার সামনে এসে সাইকেল থেকে নেমে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করল, কি রে, আমাকে চিনতে পারছিস? আমি একটু ভাল করে লক্ষ্য করলাম। চিনতে পারলাম, শ্যামলদা। শ্যামলদা লোকটা প্রথমে খারাপ ছিল না। হয়তো গরীব ছিল। সিনেমা হলে টিকিট চেকারের কাজ করত। তখন আমাদের শহরের তিনটে বড় সিনেমা হল ছিল এবং শহরতলিতে ছোটো ছোটো বেশ কিছু সিনেমা হল…

Read More

মংলুর একদিন – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য
মংলুর একদিন – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য

মংলুর একদিন   (ছোটোগল্প) ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য ওর বাপের হাতেই খুন হোলো ঠুমকি। ধারালো হাঁসুয়ার এক কোপে কচি বাঁশের মতো লিকলিকে ঘাড়টা ঝুলে পড়েছিল। তিন বছরের ঠুমকি, হাড় জিলজিলে চেহারায় অনাহারের সহাস্য উপস্থিতি সর্বাঙ্গে। আর পাঁচটা গণ্ড বাচ্চাদের মতই কোমরে বাঁধা থাকত এক টুকরো কাপড়, লজ্জাবস্ত্র বলতে এইটুকুই। ঠুমকি মারা গেছে আজ বিকালে। হাঁসুয়াটা ছুঁড়েছিল ওর বাপ, মংলু। উঠানে বসে কাঁদছিল ঠুমকি। দিনের শেষে বাড়ি ফিরে এমন দৃশ্য দেখে মেজাজ হারায় মংলু। আর পাঁচটা দিনের মতো তো আজকের দিনটা শুধুই…

Read More

স্পীড ডায়াল – সমিত রায় চৌধুরী
স্পীড ডায়াল – সমিত রায় চৌধুরী

স্পীড ডায়াল      (অনুগল্প) সমিত রায় চৌধুরী “শর্মিষ্ঠা আর কুণাল’কে এই সব জ্ঞান দিতে কে বলেছিল? তুমি জানো না তাদের পেটে ভালো কথা সয় না!” ভাস্বতী হাতে লোশন মাখতে মাখতে কথাগুলো বলল। এই কথা শুনে বিবেকের এই শীতের রাতে ঘাম বেরোনোর অবস্থা। শর্মিষ্ঠা আর কুণালের সাথে আজ অফিস ছুটির পর চায়ের দোকানে দাঁড়িয়ে একটু আড্ডা দিয়েছিল। সন্ধ্যায় তো ভাস্বতী বাড়িতেই ছিল। শর্মিষ্ঠাকে যে ভাস্বতী সহ্য করতে পারে না সেটা বিবেক জানে। সে কিছু আন্দাজ করতে না পেরে শুধু…

Read More