প্রিয় পাঠক

# এটা JULY-AUG 2026 সংখ্যা # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে SEPT মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী SEPT-OCT 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JULY মাসের ২০ তারিখ।

রওশন রুবীর কবিতা
রওশন রুবীর কবিতা

চোখের ভেতর মানচিত্র রওশন রুবী আজ আমার চোখ দুটো ঠিকভাবে খুলছে না— ভেতর থেকে কেউ যেন বলছে, দেখা মানে সবকিছু বিশ্বাস করা না। আমি আয়নার সামনে দাঁড়াই, চোখের ভেতর দেখি— একটা মানচিত্র ধীরে ধীরে সরে যাচ্ছে। সীমানাগুলো নিজেদের নাম ভুলে গেছে, দেশগুলো ভেসে যাচ্ছে, কিন্তু মানুষের চোখ- অন্য কারও কাছে বন্ধক রাখা। একটা শিশু আমার দিকে তাকিয়ে ছিল— হঠাৎ তার চোখ থেকে বেরিয়ে এলো একটা ছোট নদী, আমি হাত বাড়ালাম, সময় ভিজে উঠল। আমি শিহরিত হই আর চোখের পাতা…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

ছোট শুভেশ চৌধুরী ছোট আমাদের থেকে দ্রুত চলা ফেরায় ডিজিটাল কার্যক্রমে আমি অবাক হয়ে দেখি তার আবিষ্কার বলে দিতে পারে সব। কিন্তু কেন হলো সব সময় বলতে পারে না তবুও বুঝি তার মন ক্যামেরায় একটি সূর্য। সকাল সাড়ে ছয়টায় যখন তাহারা দেখে তারা সূর্য উঠিলো বড় শুভেশ চৌধুরী বড় যত বড় হন তাহার হাত পা চোখ তাহাকে ফাঁকি দেয়। যদিও তাহারা কেন হয় কেন হবে না ওই সব প্রশ্নে অনেক যথাযথ। তাহাদের দুঃখ ওই একা থাকাটা। ঠিক জড়িয়ে ধরতে…

Read More

নৃপেশ আনন্দ দাসের কবিতা
নৃপেশ আনন্দ দাসের কবিতা

সত্তা নৃপেশ আনন্দ দাস যে অন্ধ অনুসরণ ভেড়ার খাদ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়, সেখানেই একটা নিষ্পাপ ফুল গাছ আছে; সে তার সতেজ সহজতা দিয়ে মস্তিষ্কের অবরোহণ লিপিবদ্ধ করে প্রতিদিন। যে ক’টা জীবন্ত আখর নিয়ে তোমার নাম রচিত, দেখবে তা দিয়ে তুমি হতে পারো অসম্পূর্ণ জগন্নাথের মতো ‘সম্পূর্ণ দর্শন’। মস্ত বড় চোখে বিম্বিত হবে পৃথিবীর ঐশ্বরিক সীমানা।

Read More

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

মিনতি প্রভঞ্জন ঘোষ সারাটা দিন কূটকচালির কালির ভেতর দিয়ে হাঁটাচ্ছো, তার ক্ষোভটুকু নেই একটুও হৃদয়ে। দিনের শেষে এই মিনতি হে প্রভু শুনিও- নিষ্কলঙ্ক তারার আলো একটু দেখতে দিও। যন্ত্রপাতির ভেতর দিয়ে ঘোরাচ্ছ তা ঘোরাও বিষণ্ণতার ক্ষোভটুকু নেই একটুকু কণাও। দিবসখানি বিফলতায় হওয়ার আগে সাঙ্গ দেখার সুযোগ দিও একটি পবিত্র পতঙ্গ। ক্ষোভ কিছু নেই ঝুটঝামেলার কাদায় পিছলে যেতে কিংবা কোন বাকবচসার জঞ্জালে জড়াতে। দিনের শেষে ছুঁতে দিও হে প্রভু নির্মল ঘাসের ডগার স্বচ্ছ-স্নিগ্ধ একটু শিশির-জল।

Read More

জহির খানের কবিতা
জহির খানের কবিতা

আমিতো কবিতা লিখি স্যার জহির খান আমার নাক বরাবর ভদ্রলোক আবহমান বাংলার নৌকায় চড়েন বাংলায় কথা বলেন, বাংলা গান করেন উদার এক লাল-সবুজের নদী হয়ে উঠেন ঠিক পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যে ভদ্রলোক উনিইতো সবুজ সোনালি ধানের চাষ করেন লাঙলের ফলায় খুবই মায়ার কায়ায় ফসল ভালোলাগে – খুবই জরুরি ভালোবাসা বন্ধুগো ডানপাশের ভদ্রলোক উনি অদৃশ্য এক শক্তি দাড়িপাল্লা নিয়ে বণিক চেয়ারে বসে থাকেন ভিনদেশী প্রোডাক্ট কেনাবেচা করেন – ঠকান বামপাশের ভদ্রলোকও দেশেই থাকেন দেশের কথা হয়, ভালোবাসেন লাল দল রাজপথের…

Read More

নিধির রায়ের কবিতা
নিধির রায়ের কবিতা

রামেশ্বরম নিধির রায় এখানেই এসেছিলে তুমি দাশরথি হৃদয়ে জেগেছিল বুঝি পাপ ব্রহ্মহত্যার পরে, এসেছিলে এই সাগরসৈকতে দ্বাবিংশ কুণ্ডস্নান সেরেছিলে পাবন সলিলে, রচেছিলে রামনাথস্বামী বালুকার লিঙ্গরাজ বৈদেহীর হাতে। সমুদ্রপাড়ে আদি দেবতারে পূজিলে যতনে তুমি শুদ্ধবিল্বপত্রপুটে হে বৈদেহীনাথ। ধুয়ে গেল সমস্ত পাপ, সকল সন্তাপ সাগরের নীল জলে মহেশের নির্দেশে। তুমি তো জানো বৈদেহীনাথ প্রিয়পাত্র রাবণের মৃত্যুর পরে কেঁদেছিলেন শোকার্ত মহেশ নিভৃত কৈলাস কন্দরে, অমোঘ নিয়তির টানে যে মরেছে বিফলে তার বিয়োগে কেঁদেছিলেন তিনি আকুল নয়নে, তোমার পাপস্খলনে তাঁরেই পূজিলে তুমি। যে…

Read More

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

মিলমিশ দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ফকির হয়ে আছে অমাবস্যার আকাশ তার আলখাল্লায় আজ উন্মাদ হাসি গানের ভিতর মৃত্যু ভুলে থাকি রাত্রি নাচতে থাকে চারপাশে এইভাবে মহামিলন লিখি কত আম ছড়িয়ে শুধু আমি বাদে দূরত্ব দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বৃষ্টির পূর্বাভাস ছিল হাঁটছিল শরীর ও চোখ এমন সূর্যাস্তের মুখ আমাদের দু’জন তবুও বেশ দূরে দূরে সুরাস্তা দেবাশিস মুখোপাধ্যায় কোনো মূর্তি এখন স্পষ্ট নয় এই রাস্তা সঠিক তাও জানি না তবুও ভিতরে রবিগানের সুর যাত্রা দেবাশিস মুখোপাধ্যায় পাতাগুলো বিবর্ণ হতে হতে মৃত্যুপথযাত্রী নীরব অক্ষরগুলো চোখে…

Read More

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

সন্তাপলিপি সন্তোষ রায় ১. যখন পাঠ করি, দেখি, কতবার যে মরেছো, কতবার এসেছো ফিরে ফিরে— এত ক্ষতের দাগ পান্ডুলিপি জুড়ে। পাশে রক্ত নেই, ছিটকে পড়া অঙ্গ নেই— ঘোরের কলম হাঁটে ভোরের দিকে — ২. এ কেমন ঘোর কেবল শূন্য লেখে! আমার লেখায় সোজা রেললাইন নেই, গভীর বাঁক নেই ছন্দের। শব্দ আসে। কোথায় যাত্রী, পথিক কোথায়! কথারাই যায় দূর গন্তব্যে — ৩. নিচে রেল, উপরে মেঘ — ছুটছে তোমার দিকে। ভোল ভাঙাতেই এই ছুটে যাওয়া। হেমন্ত নিঃস্ব হলো তুমিও ভুলে…

Read More

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

পিঁপড়ে ও আমি সনজিৎ বণিক পিঁপড়ে ও আমার মধ্যে বেশ মিল খুঁজে পাই, আমরা দুজনেই চঞ্চল, কেবল দৌড়োতে ভালোবাসি চারদিকের মাঠঘাট ও জগৎ; ভালো করে পরখ না করেই কেবল হন্তদন্ত ঘুরতে থাকি, দেখলেই মনে হয় বেশ ব্যস্ত কোনো জরুরি কাজের চাপে এদিক সেদিক দৌড়োতে দৌড়োতে কারো কথাই মনে পড়ে না! পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ, পুব থেকে পশ্চিম দিশা আমাদের দু’জনের রাডারে বেশ পরিষ্কার এবং আমরা ছুটতে থাকি এই মায়াবী দুনিয়ায়, ছুটতে ছুটতে পরিচিত মানুষের দেখা পেলেই দু-চার কথা বলা,…

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

দিনকাল সদানন্দ সিংহ মেঘের গুরু গুরু গর্জনের পর যে শূন্যরাত নামে সেখানে কোনো সূত্রই কাজে লাগে না, ‘দিন আনি দিন খাই’ ভিত্তিতে রাস্তা গড়ি কর্ষণের গভীরতাও দেখি, দেখি বেবাক সূত্র কেমন কাজে লেগে আছে ধ্রুপদি লয়ে তবু হেমন্তের অরণ্যে এখনো পোস্টম্যান ঘুরে যায় ধানসিঁড়ি ভাঙে এখনো দোয়েল বাতাস। উৎসবমুখর দিনে তুলে রাখি সমস্ত বস্তাবন্দি পুতুল খেলা, আর উৎসবমুখর রাতে আহাম্মকি ঠাটবাট কানে কানে কে যেন বলে যায়, ভালোবাসি

Read More