প্রিয় পাঠক

# এটা JAN-FEB 2026 সংখ্যা # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ ।

সন্তোষ রায়ের কবিতা
সন্তোষ রায়ের কবিতা

বিশ্বাস সন্তোষ রায় মানুষেরা নেমেছে মানুষের খোঁজে। মাঠে পাথর-পলি-কাঠ-বাঁশ— স্বর্গের বাড়ি ভেঙে জমেছে মর্ত্যের সংসারে। হয়ত মানুষ এখনো কোথাও আছে — বাকিসব লাশ। লাশের ভেতর জল জলের ভেতর লাশ নীরব চারপাশ। মাঝেমাঝে দু-একটি বুদবুদ ওঠে পলির গায়ে — হয়ত মানুষ কোথাও আছে — আনন্দ সন্তোষ রায় দুঃখ এলে সব পাখি ডেকে ওঠে একসাথে। ‘রাত্রি’ নামের কবিতাটির ভেতর খিল এঁটে বসে থাকি, নিজেকে অন্ধকার লাগে, দূরের নক্ষত্র দুরুদুরু, ভাষার দরোজা খোলে না। স্নায়ু টানে মেঘ, সেতারে আনন্দ-বর্ষণ— সে জলে দুঃখ…

Read More

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

ভেজা অক্ষরে লেখা দেবাশিস মুখোপাধ্যায় আমার ভোরগুলি ঘাস আর খরগোশ দাঁতের ধার কমে আসছে সূর্যের ছায়া কবে যে মেঘের নাম হলো সবুজ সবুজ কথায় নরম মিশ খায় মিশলেই তুমি বেশ ভালো সজল সুন্দরী দূর কাটে এভাবেই আর ভাবে ভাবে আড়ি চোখের ভিতর রাধার পূর্বরাগ আর আমাকে পেয়েছে মিয়া কি মলহার হারলেই জিত বলে কারা গায় কানে শুধু শুনি কানাই কানাই আর সব নায় ভেসে যায় জলের ডাকে ফিরে এল চিঠি দিন ভেজা অক্ষরের সম্পর্ক দেবাশিস মুখোপাধ্যায় গাছ হয়ে আছে…

Read More

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

জানালা সনজিৎ বণিক জানালার পাশে দাঁড়িয়ে দেখছিলে আকাশ এক বিস্তৃত জানালা, শেষহীন প্রান্তর লক্ষ কোটি দৃষ্টির পরিধি কোথায় হারায় জানে না কেউ। শুধু জানি আমি ও আমার মন; তোমার মনও মন্দ কী ! খোলা আকাশ-ই এক একটি জানালা, যেখানে দাঁড়িয়ে খুঁজে ফিরি আমাদের ঐ হারানো সংসার, যেখানে তুমি, তোমার মন ও পৃথিবী, পাশাপাশি আমার ছায়া তোমার পাশ ঘেঁষে হেঁটে যায় রোজ। কীর্তন সনজিৎ বণিক খোল করতাল সহযোগে যে প্রাণময় শব্দধ্বনি দূর থেকে ভেসে আসে কানে সে শব্দের ভেতর প্রাণ…

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

সীমানা সদানন্দ সিংহ আবদ্ধ হাওয়ায় বেঁচে আছে কতো সজীব কোণ এই কোণে আমি, হয়তো ওই কোণে তুমিও ওখানেই সিন্ধুরাত নামে, পাশা দানে মত্ত কোনো বাজ ওখানেই হিসেবহীন কান্তরাজ তবু ভোর হয়, পাখি ডাকে শুধু সপ্তরথী আসে না ওখানে বাহাদুরি কানায় কানায়, উপচে উঠে ছল কুয়াশায় ঢাকা পড়ে যায় কালো প্রান্তর লোকে বলে, কারুর পৌষ মাস কারুর সর্বনাশ আমি তো বলি, সীমানা জুড়েই এখন মল মাস

Read More

অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা
অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা

যোগাযোগ  অভিজিৎ চক্রবর্তী বৃষ্টি পড়ে কোথাও পাহাড়ে চোখ বুজে দেখি– সেখানে কোনও এক নিমগ্ন বাজারে ধোঁয়াচ্ছন্ন টঙঘরে একটি মেয়ে চুলা জ্বেলে বসায় চা, তার চুলে গোঁজা সাদা ফুল– কিছুই জানে না না স্বর্গ না পাপ,  মাঝে যে হলুদ বিন্দু  কাল রাতে অভিমানে আরো গাঢ়, বুকে যে মেঘ দীর্ঘশ্বাসে জমে– সেই বিষাদ লেগে ভিজে যায় আমাদের শহর– চারদিকে চাপ চাপ আশঙ্কার কাদা দিন শেষে এর ভেতরেই এক চিলতে রোদ– ইহজন্মের শান্তি, যদিও বর্ষাকাল সমতলে হৃদয়-আকাল তবু তার বিস্ময় লেখার জন্য…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

অভূতপূর্ব শুভেশ চৌধুরী অভূতপূর্ব মানে যা কিছু ঘটনা ঘটে নাই পূর্বে অথচ সব কিছু পূর্বের তাই ঘটে। চলেছে এখনও। মা যশোদা মা দেবকী দেখতে পাবেন এখানে ওখানে অভূতপূর্ব সংসারে ম্যাথাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কাজ করে পুরাটা রোবট হইল না তবু কেউ না কেউ তাকে বা তাহাকে অধিকার করতে চায় সদয় শুভেশ চৌধুরী সদয় এর যত গুণ ও প্রযুক্তি তাহা নির্দয়ের নাই আমি হিসাব নিকাশ করে দেখি ৮০ ২০ হয়। কিছু ভুল কিছু শুদ্ধ এইতো সংসার বা জীবন যাত্রার মান

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

স্বয়ম্ভূষ্ম সমর চক্রবর্তী কত আর পালানো যায় ? প্রতিটি প্রশ্নের উত্তর থেকে পালাতে পালাতে দেখি, দাঁড়িয়ে আছি নিজেরই কাছে ! সারা আকাশ পাতাল ও পৃথিবী ক্ষতবিক্ষত করতে করতে গোপন কথাটি রটে যায় লাশের কোন ওয়ারিশ নেই !

Read More

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

শূন্য প্রভঞ্জন ঘোষ শূন্য ভালোবাসি- ফাঁকফোকরের ডানায় চেপে পালক-শূন্যে ভাসি। শূ্ন্য থেকে- মহাশূ্ন্যের দিকে যতই চক্ষু চলে আলো ততই বেড়ে থাকে। কালোর অন্ধ অণুগুলি প্রকাশ হয়ে ওঠে, বাঁশির রন্ধ্রে ততই হাওয়ার মধুর লহর ছোটে। জৈব দেহের কণাগুলি তখন অতি ভারি, তখনই বেগ প্রবল অতি তীব্র, সরাসরি! শূন্য নিয়ে খেলা- চিরন্তনী ফাঁকা কখন, সংখ্যারাশির মেলা।

Read More

অচেনা মুখ – সদানন্দ সিংহ
অচেনা মুখ – সদানন্দ সিংহ

অচেনা মুখ        (অনুগল্প) সদানন্দ সিংহ বিকেলবেলা। আমার অর্ধাঙ্গিনী ঘর থেকে বেরিয়ে যেতে যেতে চেঁচাল, বাজারে যাচ্ছি, ঘরে শাকসবজি কিছুই নেই। দরজাটা টেনে যাচ্ছি, তুমি ছিটকিনি মেরে দিও। আমিও ভেতর থেকে চেঁচালাম, ঠিক আছে। দিচ্ছি। দিচ্ছি বললাম বটে, কিন্তু বিছানা ছেড়ে উঠতে ইচ্ছে করছিল না। একটু ঘুমও পাচ্ছে। তাছাড়া উঠে, লিভিং রুম থেকে বেরিয়ে ড্রয়িং রুম পেরিয়ে দরজার ছিটকিনি লাগাতে আমার এখন একটু কসরত করতে হবে। তিন সপ্তাহ আগে আমার ডান পা এক দুর্ঘটনায় ফ্র্যাকচার হয়ে গেছিল।…

Read More

কালাবাবুর রকমসকম – সদানন্দ সিংহ
কালাবাবুর রকমসকম – সদানন্দ সিংহ

কালাবাবুর রকমসকম        (ছোটোগল্প) সদানন্দ সিংহ বিকেলবেলায় রোদের সে তেজ আর থাকে না। তখন ছাদের ওপর এসে পাখিরা কিচির কিচির করে। পাখিদের সে ডাক শুনতে পান না কালাবাবু, তবু সঠিক সময়ে এক বাটিতে চাল এবং দু লিটার বোতলভর্তি জল নিয়ে ছাদে যান প্রতিদিন। ছাদে গিয়ে পাখিদের জন্য রাখা পাত্রে জল ঢালেন। তারপর পাখিদের দিকে চালগুলি ছুঁড়ে দেন। সাধারণত কবুতর, শালিখ, চড়ুই পাখিরাই থাকে। মাঝে মাঝে অন্য প্রজাতির পাখিরাও আসে। অপেক্ষারত পাখিরা ওড়ে এসে টুকুর টুকুর করে চালগুলি…

Read More