প্রিয় পাঠক

# এটা JAN-FEB 2026 সংখ্যা # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ ।

সনজিৎ বণিকের কবিতা
সনজিৎ বণিকের কবিতা

ব্যাটারি সনজিৎ বণিক ব্যাটারির খয়ে যাওয়া স্পৃহা দ্রুতগতিতে ঘড়ির কাঁটাকে পারে না জাগিয়ে দিতে, এক সময় থেমে যায় ঘড়ি, সময় বাড়ে। ভোরের শিশিরের শব্দেই গতিশীলতা কমে যায়, উবে যায় শিশিরবিন্দু সূর্যতাপে। ঘড়ির ভেতরে মরা ব্যাটারি গলে যায় মরা পোকামাকড়ের মতো, জঙ ধরে মৃতের শরীরের মতোই। ব্যাটারি পাল্টে দিতেই টিক টিক শব্দ মান-অভিমানের মতোই বুকের ভেতর তুলে রাখে রহস্যের বাড়াবাড়ি, জেগে ওঠে সময় ঘুম ভাঙে অ্যালার্মের নরম শব্দাবলীতে, জেগে থাকা ও জাগিয়ে রাখার মন্ত্রগুপ্তি তোমার কানে যেতেই ভালবাসার দুচার কলি…

Read More

রহিত ঘোষালের কবিতা
রহিত ঘোষালের কবিতা

অসীমে ঝাঁপ দেবে একাকী নদী রহিত ঘোষাল তুমি আমার বাড়ির ছাদে কাপড় মেলে আমার মিথ্যে গায়ে পরে একা একা চলে গেছ মহাসমুদ্রের কাছে ওখানে আমাদের সদ্যোজাতকে ভাসিয়েছ যেই দেখলে সেখানে তখন নদী এসেছে অসীমে ঝাঁপ দিতে সে তোমাকে দেখে আর কিছু বলতে পারেনি তার সমস্ত কথার মতো পলিমাটি সে ডুবিয়ে দিতে ভুলে গেছে তোমার হাতে স্যালাইন ফোটানোর ক্ষত থেকে বহুমূল্য মুক্তো ঝরে পড়ছে এসবের কিছুই তুমি আমাকে বলে যাওনি সব আমি জেনেছি বালিয়াড়ির থেকে শীতের রাতে শেষ বাসে তারপর…

Read More

প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা
প্রভঞ্জন ঘোষের কবিতা

তরঙ্গ প্রভঞ্জন ঘোষ তরঙ্গে মিশিয়েছো ব্রহ্মাণ্ড আমরা অপোগণ্ড সে তরঙ্গে যোগ করি না বন্ধ করি লেনাদেনা ভরিয়ে সকল অসার কণা করছি লণ্ডভণ্ড! ঝিঁঝিঁর ক্ষুদ্র মুখের থেকে এক তরঙ্গ উঠে জলতরঙ্গে নদীর বুকে এক তরঙ্গ ছোটে। এক তরঙ্গ পাখির মুখে এক তরঙ্গ গাছের এক তরঙ্গ শ্বাপদকুলের এক তরঙ্গ মাছের এমনি সকল শব্দকণা নিত্য অবশেষে তোমার অপার ইথার কণায় নিখুঁতভাবে মেশে। আমরা সুবোধ সুর ধরি না সুচারুময় ঠিক মিশি না কণায় কণা যোগ করি না কেবল খণ্ড খণ্ড, আপ্ত সদাই ব্যাপ্ত…

Read More

বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা
বিশ্বজিৎ দেবের কবিতা

আবাহন বিশ্বজিৎ দেব এসো তুমি, যন্ত্রণার অতৃপ্ত জহর মরে গেলে যেরকম সব কিছু মনে হয় প্রেমের শহর এসো মুগ্ধতা, আমাদের এই সব খুনোখুনি, না লিখতে পারার সারারাত যন্ত্রণা এসো প্রতিরূপ, ফিরে না আসার দিকে চলে যাওয়া প্রতিটি মুহূর্ত আবলুশ ২ বিশ্বজিৎ দেব ওহে দ্রবণিকা, এসো সিরিয়াল দেখি হাত থেকে পড়ে গিয়ে কাচের গেলাস খান খান কান্নাকাটি, বিহ্বলতা দেখি এখন কি ভরা জুলাইয়ের মাস! চলো আকাশপ্রতিভা দেখি, কাপালিকা গুরু গুরু যামিনীর পলাতকা দেখি আমাদের নয়নাভিরাম আবলুশ, এরকমই পচে যাবে আঁশ,…

Read More

সুদীপ্ত বিশ্বাসের কবিতা
সুদীপ্ত বিশ্বাসের কবিতা

মানুষ খোঁজা সুদীপ্ত বিশ্বাস মাঝেমাঝে খুব একা লাগলে আমি মানুষ খুঁজি গাছের মতো প্রিয় মানুষ অরণ্যের মতো গভীর মানুষ পাখির মতো প্রাণবন্ত মানুষ নদীর মতো দিলখোলা মানুষ পাহাড়ের মতো উদার মানুষ আকাশের মতো উন্মুক্ত মানুষ প্রকৃত মানুষ খুঁজে পেলে তাকে নিয়ে যেতে ইচ্ছে করে আমার হৃদয়ের চোরা কুঠুরিতে আমার প্রতিটি আলোকিত কক্ষ, প্রতিটি সীমাহীন অন্ধকার তাকে দেখাতে ইচ্ছে করে তাকে পেয়ে খলবল করে কথা বলতে শুরু করে আমার গুমরে ওঠা দুঃখগুলো। দহন সুদীপ্ত বিশ্বাস ধুলোর ঝড় উঠেছে মরু-রাত্রিতে চাপচাপ…

Read More

কিশলয় গুপ্তের কবিতা
কিশলয় গুপ্তের কবিতা

জীবনযাপন খেলি কিশলয় গুপ্ত সুখটাকে সমর্পণ শব্দে রেখেছি হাতে হাতে।এইমত গুজরান টেনে আমিও একদিন অতীতের সঙ্গে মিশে যাব ভেবে হাসি। কার কাছে কত কষ্ট আছে নিয়ে আসা হোক। এই দেখো পেতেছি দুই হাত, হাতের উপর পাঁজর সর্বস্ব বুকে অনন্ত স্বপ্নের ঝড়;ঝড়ে উড়িয়ে নিয়ে যাচ্ছে ইহকাল পরকাল তারপর যবনিকা হাতে আসুক কেউ। এত যে হাহাকার ভরা “চাই, চাই” গান এত যে বেসুরো বাজা ভাঙা বেহালার প্রেম একমুঠো মাটি কিনতে পারে তেমন রাজা কই! কোটি লোকের ভিড়ে তেমন একটা মানুষ পেয়ে…

Read More

রণজিৎ রায়ের কবিতা
রণজিৎ রায়ের কবিতা

স্বপ্নের সিঁড়ি রণজিৎ রায় কবে আসবে তুমি ? তোমার আগমনের প্রত্যাশায় কপাট খোলা রেখে খোলা জানলায় পথ চেয়ে আছি বাতাসে বৃক্ষের পাতা কেঁপে উঠতেই হৃদয় খুলে প্রহর গুনি প্রহরের পর প্রহর অভিমান বরফের মতো জমে পাথরের মতো নিরেট হতে থাকে। বিজ্ঞানীরা বলছে পৃথিবীর আয়ু ফুরিয়ে আসছে তোমার আমার কী হবে অন্য একটি জগৎ বিজ্ঞান মানে না তুমি কি বিশ্বাস করো আমি বিজ্ঞান পড়েও দিব্যি মেনে নিই প্রত্যাশায় উড়বো ত্রিভুবন অনন্তকাল ধরে। শরীরের সান্নিধ্য কি সব সুখের উৎস মনে দুঃখ…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

ভার্জিন শুভেশ চৌধুরী ফলটি ভার্জিন। ফল-এ একটি কামড় দিয়ে দিলেই ফলের ভার্জিনটি চলিয়া যাইবে। মানুষ খাবার খায়। কত ফল-ফসারীর ভার্জিনটি লোপ করে তার পরিমাণ করা যাবে না । আমি কৌমার্য রাখি নাই। আমি বাবা। আমার বিশ্বাস আমি স্নেহশীল। কৌমার্য রক্ষা না করায় আমার কোন পাপ হইবে না, কারা জানি বলছে রাত জাগা পাখি শুভেশ চৌধুরী না। পাখি রাত জাগে না। ঘুমের মধ্যে শুধু আড়মোড়া ভাঙে আর আবার ঘুমিয়ে পড়ে যারা আজ না ঘুমালো তাদের জন্য কাল কোন বাজারহাট অফিস…

Read More

ব্রতীন বসুর কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা

এইটুকুই বেঁচে থাকা ব্রতীন বসু সুযোগ দেখলে আমি সন্ধানী হয়ে যাই বিপদ দেখলে ঢুকে পরি গর্তে, মন্দির দেখলে আমি স্বর্গে চলে যাই হুইস্কি পেলে ফিরে আসি মর্ত্যে। সবজির আগুন দাম তাই সবুজে অরুচি হয়েছে ভাতের বদলে মিলেট সেদ্ধ খাব ভাবি আনন্দ করি ভারত জিতেছে বলে অথবা লোন শোধ হলে আজ এইটুকুই বেঁচে থাকা থাক কাল হয়ত অন্য কোন দাবি। জমা আছে ব্রতীন বসু জমা জলাশয় মশা জন্মায় জমা কথা জন্ম দেয় কবিতা কেউ ভাল থাকে, কেউ প্রতীক্ষায়।

Read More

সমর চক্রবর্তীর কবিতা
সমর চক্রবর্তীর কবিতা

এক বগ্‌গা সমর চক্রবর্তী যে কোন কবিতার আসরেই হাতে মাইক নিয়ে সে ঘোষণা দেয় আমার মতো প্রিয় অন্য কোন কবি-বন্ধু নাকি নাই তার। হলভরা কবিতার আসরে উপস্থিত সমস্ত কবিরা অথবা সে নিজে কিন্তু আমারো যে কিছু বলার আছে তা নিয়ে কোন প্রশ্নই করে না। হাততালির শব্দে ফেটে পড়ে ঘর। রাজ্যের সমস্ত মিডিয়ায় প্রকাশিত হয় — সর্বকালের শ্রেষ্ঠ এই কবিতার আসর। সমস্তই আমি শুনি। শুধু আসরে আমারো ডাক পড়ে না পবিত্র থাপ্পড় সমর চক্রবর্তী আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে মানতের বিষ্ণুপূজা করে…

Read More