প্রিয় পাঠক

# এটা NOV-DEC 2025 সংখ্যা # পরবর্তী JAN-FEB 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JAN মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী JAN-FEB 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে JAN মাসের ২০ তারিখ ।

দেবারতি দের কবিতা
দেবারতি দের কবিতা

ইস্তাহার দেবারতি দে প্রতি পূর্ণিমায় আমরা চাঁদকে পরিক্রমা করি অজান্তে নিজেদের ছায়া রেখে ফিরে আসি আর পৃথিবী থেকে চাঁদের গায়ে ঐ ছায়া দেখে আমরা আমাদের সংরক্ষিত আয়ু ভেবে যুদ্ধের ইস্তাহার লিখি। দেয়াল লিখন দেবারতি দে স্বচ্ছ দেয়াল লিখনে লেগে থাকে পিছলে পড়া রাতের স্বাস্থ্য নিঃসঙ্গের সঙ্গ যাপন বোঝাই করা কিছু অনায়াস দৃশ্য এমনই ইশারার আইন ভেঙে তুমিও হেঁটে যেতে পার প্রতারণাহীন কারু খচিত দিশাহীনদের পথে।

Read More

সিদ্ধার্থ নাথের কবিতা
সিদ্ধার্থ নাথের কবিতা

যেভাবে দেখা হল সিদ্ধার্থ নাথ একটি দুপুরের সাথে দেখা ওখানে আমার যাবার কথা ছিল না মা মোরগের সাথে বাচ্চারা হাঁটি হাঁটি পা পা পাতা পড়ছে খসে শব্দ হচ্ছে না লুকলুকির ছায়ায় ক্লান্তিতে শুয়ে আছে সময় মায়ায় জড়ানো মুখ চোখের কোণে নদীর দুঃখ সুখ আমিও শুয়ে থাকি সমান্তরাল জড়িয়ে ধরি পিতার স্নেহে জলের ভাষায় লেখা অভিমানে ভিজে যাচ্ছে মাটির গাঁও-গেরাম দেখা সিদ্ধার্থ নাথ রোদ্দুর আর ওঠে না – দলছুট পথ হাঁটে পশ্চিম দিগন্তে কাব্যকথা কথা দিয়েছিল – একা হতে দেব…

Read More

বাপ্পা চক্রবর্তীর কবিতা
বাপ্পা চক্রবর্তীর কবিতা

বুক পোড়া ঘ্রাণ বাপ্পা চক্রবর্তী পরের বাগান থেকে ফুল চুরি গেলে আমার ভেতরে যেন পোড়া গন্ধ পাই তার চুল খোলে হাঁটা জামা পরা মন গোপনে বেঁধেছে বাসা হয়তো গভীরে নয়তো এমন করে বুকে কেনো ঘ্রাণ আমার পরান যায় হাওয়ায় উড়ে দূরে দেখে তারে পিছু পিছু হেঁটে যাই কথা নাই চুপচাপ দেখি ভালোবেসে আমার বাগান আজ ফাঁকা পড়ে আছে নেই কেউ কাছে তবু ভালোবাসা আছে একা একা গেয়ে যাই বিরহের সুর তবুও তোমাকে ছেড়ে থাকতে পারি না একটু দাঁড়ালে মন…

Read More

কিশলয় গুপ্তের কবিতা
কিশলয় গুপ্তের কবিতা

ফকিরি বিশ্বাস কিশলয় গুপ্ত সকালে ঘুম ভাঙলে পদবী ধুয়ে জল খাই এ আমার উত্তরাধিকার রক্তের সংস্কার তোমার মুসলমানি – আমার হিন্দুত্ব কাগজে কলমে নাচে এবং বকলমে তারপর সারাদিন অমুকের ছেলে, তমুকের বাচ্চা ঘুমিয়ে কাটায় মায়ের গর্ভে হিমোগ্লোবিনে ডুবে থাকে ভ্যাম্পায়ার ইচ্ছে আর অকারণ চিৎকার – রোহিঙ্গা রোহিঙ্গা মানুষের পৃথিবীতে পদবী ধোয়া জলে বাঁচা এই আমাকে পুড়িয়ে দাও মানবতার আগুনে আমার ফকিরি বিশ্বাস একবার বলুক মানুষ খুঁজি – মানুষ কোথায় – মানুষ চাই…

Read More

শুভাশিস চৌধুরীর কবিতা
শুভাশিস চৌধুরীর কবিতা

প্রেম শুভাশিস চৌধুরী আমি তো দাঁড়িয়ে আছি ঝড় জলে আসবে সে বলেছে তো নিজে যেচে ছাতা সাথে আনিনি তো সেই ছলে অনির্বার ধারা মোরা যাবো সেচে। ন হন‍্যতে শুভাশিস চৌধুরী তোমরা যারা রূ-কেই ভালোবেসেছো কখনো কি ভেবেছো মির্চাও মানুষ। তার জন্য ছিল না ভালোবাসা শুধু একটা শব্দ। কখনো বলেনি সে রূ-কে ছিনিয়ে নিতে চায়। যে রূ তাকে সঁপে দিয়েছিল সব, সেও তো একটা রক্ত মাংসের মানুষ। দেহসুখ দিয়েছিল নিংড়ে যারা তারাও যে ভালোবাসেনি মির্চাকে সেকথা তো জেনেছি আমরা। শুধু…

Read More

সুবিনয় দাশের কবিতা
সুবিনয় দাশের কবিতা

কায়দা করে সুবিনয় দাশ প্রতিবেশী মিলেমিশে থাকো কায়দা করে শহর-শীর্ষে গুহায়, পঙ্গপাল লাফায় জঙ্গলে আপন খেয়ালে, আত্মতুষ্টি মেনে এঁকেবেঁকে গ্রাম, সবুজ পাতায় ভোজন ঝুড়িতে শ্রাবণমাস, মনসামঙ্গলের দোঁহার স্বাধীন বনবর্গী হাওয়া, মনোমত জ্যোৎস্না ঘন চিক্কুর, পুলক পালক ভিজে কাক শহর উধাও সুবিনয় দাশ শহর উধাও, শরণার্থী চুল্লিতে আগুন জলপান ভীষণ দরকার, উঁচুমতো চৌকাঠ ভেতরে বাহিরে ভিখারি, একরাত কাটাবে ছোঁয়ার সুযোগে, প্রতিষ্ঠার তীব্র ক্ষুধা গিমিক মশালে ঘামে, হাড়ে অনাদি অক্ষরে শুধু থাকা নয় বয়া ফাটে, কাবিল হাজতে লোকটি কবিতা পাঠে, সুষমা…

Read More

শুভেশ চৌধুরীর কবিতা
শুভেশ চৌধুরীর কবিতা

শীর্ষক, নাই শুভেশ চৌধুরী নাই হলে পাওয়ার আগ্রহ প্রবল থাকে এই জন্য সবাই সচেষ্ট হয় বিমল-এর একটি ফুটবল চাই ফুটবলটা সে লাথি মারবে পায়ে রাখার চেষ্টা করবে গোল করে যদি খুব খুশি হবে দলকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। অনেক কিছুই তার নাই তবে আপাতত পেটে ভাত ও বলে লাথি মারা এইসব তার আকাঙ্ক্ষিত শীর্ষক, আছে শুভেশ চৌধুরী পরিতৃপ্তি লাভ নাই কুবেরের কথা মনে হয় তাল তাল ধন তাহার কাজে লাগে নাই তাহার পরিতৃপ্তি তিনি ধনকুবের নামযশ দিয়ে কি হবে যদি…

Read More

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

ছায়াছবি দেবাশিস মুখোপাধ্যায় বন্ধ সবুজ দরজার কান্না শহর শুনতে পায় না কিন্তু একটি সোনার হরিণ নিখোঁজ হয়ে যায় আকস্মিক তোলপাড় হয়ে যাবার থাকলেও ভীষণ শীতল ভিতর বাজায় ছমছম ছমছম নীল রঙটি এতটাই ছড়িয়ে এই শুনশান রাস্তা ভীষণ অচেনা নায়িকাকে একলা করে দিলে ঠোঁট একটি গানের সঙ্গ প্রত্যাশায় অথচ কিছুক্ষণ আগেও খুব কথা ছিল বেঞ্চির আর উড়ে যাওয়া কাগজের ভুল বানানের কাছে মৌটুসি পাখি খুঁটে নেবার পর যা পড়ে থাকে পিঁপড়ে বুঝে নেয় ঝরাপাতার নীচে পার্কের দীর্ঘশ্বাস অল্প অল্প করে…

Read More

ব্রতীন বসুর কবিতা
ব্রতীন বসুর কবিতা

শেষ ইচ্ছে ব্রতীন বসু   চম্পার অন্য বাড়িতে কাজ ঠিক মাসখানেক হল। দু হাজার মাইনে বেশি। ত্রিশ বছর ধরে মাসিমা মেশোমশাই এর সেবা করছে। নিঃসন্তান দম্পতি। ভাইপো সম্পত্তি পাবে। চম্পা দুহাজার মাইনে বেশি। এই মাস খানেক আগে মারা গেছেন কত্তা একশো ছুঁতে গিয়ে অল্পের জন্য থেমে গেলেন। গিন্নির নব্বই চলছে হপ্তায় দুবার ডায়ালিসিস লাগে এখন ছেড়ে যাওয়া যায় না। আর কিছুদিন তারপর মাইনে বাড়বে। বুড়ি বলে, হ্যাঁ রে চম্পা আমি মরলে কাঁদবি তো মুখে আগুন দিবি তো? আর তোমার…

Read More

সুবিনয় দাশের কবিতা
সুবিনয় দাশের কবিতা

দামি মানুষ সুবিনয় দাশ হও সুখী দামি মানুষ, বিবেচনা সূচের মত বুকে, শিকড়ে মনের অসুখ বিদ্যুৎ-এর তার শরীরে ভালোবেসে পাখি দেখে আয়নার ক্রদে, ফুলে ফেঁপে নদীর জল তৃষ্ণায় ধরে কামড়ে এঁটো খাবার মরচে পড়া সবজি গৃহিনী বলছে, খাও আমায় গিলে। চাইছি তোমাকে সুবিনয় দাশ চাইছি তোমাকে বনবর্গী গোঁয়ারে পুরতে ভালবাসি অন্দরে গহ্বরে সীমানা লোপাট চাইছ নগরাকার মশল্লা মেশানো পান সানুদেশ চিৎবিকার, পর্যুদস্ত সকাল, নখে বিষ, মরমের সুরে, জলঘোলা কপালে রং ওঠা চুলে।

Read More