সনজিৎ বণিকের কবিতা

সনজিৎ বণিকের কবিতা

পিঁপড়ে ও আমি

সনজিৎ বণিক

পিঁপড়ে ও আমার মধ্যে
বেশ মিল খুঁজে পাই,
আমরা দুজনেই চঞ্চল, কেবল দৌড়োতে ভালোবাসি
চারদিকের মাঠঘাট ও জগৎ; ভালো করে পরখ না করেই
কেবল হন্তদন্ত ঘুরতে থাকি,
দেখলেই মনে হয় বেশ ব্যস্ত কোনো জরুরি কাজের চাপে এদিক সেদিক দৌড়োতে দৌড়োতে কারো কথাই মনে পড়ে না!

পৃথিবীর উত্তর থেকে দক্ষিণ, পুব থেকে পশ্চিম দিশা আমাদের দু’জনের রাডারে বেশ পরিষ্কার এবং আমরা ছুটতে থাকি এই মায়াবী দুনিয়ায়,
ছুটতে ছুটতে পরিচিত মানুষের দেখা পেলেই দু-চার কথা বলা, তারপর আবার আমাদের চলা শুরু নতুন লক্ষ্যের দিকে-
চেনা অচেনা বলে কিছু নেই,
জগতের চঞ্চলগতির ভেতর খুঁজে বেড়াই আমরা দুজন,
আমৃত্যু আমাদের ভ্রমণ জারি রয়ে যায় –
এ জগতের সমস্ত পথের ‘পর দিয়ে দৌড়োতে দৌড়োতে আমরা লক্ষ্যের দিকে ছুটতে ছুটতে নতুন দিগন্তের সূচনায় মেতে উঠি আর নতুন স্বপ্ন ভাবনায় জড়িয়ে রাখি আমাদের।

ধর্ম মেনে ভালোবাসা যায় না

সনজিৎ বণিক

ধর্ম মেনে কবিতা লেখে
যে সৌখিন যুবক
তাকে ভালবাসি,
ধর্ম মেনে কবিতা লেখে যে সৌখিন যুবতি,
তাকেও ভালবাসি।

ভালবাসার সংজ্ঞা বিশ্লেষণের নেই বয়স,
হাজার বছর জগৎ বেঁচে থাকলে
কবিতার কাছাকাছি কিছুটাও ছোঁয়া যাবে মন;
এ ভাবনার জালে জড়িয়ে বুক থেকে মুখ পর্যন্ত রেখেছি এঁকে আমার ছবি, তোমার হৃদয় ক্যালেন্ডারের মাঝ বরাবর:
নাক চুবিয়ে ভালোবাসি বুকের নির্যাস ।

ধর্ম মেনে হয় না কবিতা,
এ কথা ধীরে অতি ধীরে যখন বুঝে সে যুব্তি তখন সব ছেড়ে তোমার বুকের কাছে এসে বলবে –
সখা, বড়ো ভালোবাসি, তোমায়।