প্রিয় পাঠক

# এটা JAN-FEB 2026 সংখ্যা # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ ।

আজও রবীন্দ্রনাথ কতটা প্রাসঙ্গিক – সুদীপ ঘোষাল
আজও রবীন্দ্রনাথ কতটা প্রাসঙ্গিক – সুদীপ ঘোষাল

আজও রবীন্দ্রনাথ কতটা প্রাসঙ্গিক (প্রবন্ধ) সুদীপ ঘোষাল জনৈক যুবক, তাঁকে অশ্লীলভাবে আক্রমণ করে জনপ্রিয় হতে চান, এটা বড় বিস্ময়কর ঘটনা। আজও রবীন্দ্রনাথের দেশজ প্রয়োজন, রাজনৈতিক প্রয়োজন, সমসাময়িক প্রয়োজন আছে। তবে তারও উপরে যেটা প্রয়োজন, সেটা হলো রবীন্দ্রনাথকে আরও ভালো করে জানা, তাঁকে অন্তরে ঠাঁই দেওয়া, রবীন্দ্র দর্শনে নিজেদের উজ্জীবিত করা৷ আজো রবীন্দ্রনাথ আমাদের জীবনে সমানভাবে প্রাসঙ্গিক। বর্তমান সময়ে ভারতে যখন অতি-জাতীয়তাবাদের জিগির ক্রমাগত বেড়েই চলেছে, তথাকথিত উদারপন্থীদের প্রায় আস্তাকুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলা হয়েছে, সেখানে রবীন্রনাথের জীবনদর্শনের কথা আরও একবার মনে…

Read More

বলাই দে’র ছড়া
বলাই দে’র ছড়া

বিকল হলে বলাই দে চাকা যদি হয়রে বিকল হুংকারে কী চলে গাড়ি, অর্থশাস্ত্র রাজনীতি নয় এইটুকু তো বুঝতে পারি। দেশাত্মবোধ ভিন্ন ব্যাপার হয়তো একটু আবেগ তাড়া, নুন আনতে পান্তা ফুরায় কীইবা করে হতচ্ছাড়া! রোজগার কই, কেইবা দেবে গা খাটিয়ে উদর পূর্তি, আকাশ তলে গাছের নীচে তাদের আবার কিসের ফুর্তি। বেঁচে থাকার হাজার হ্যাপা কথাটুকু কে না জানে, পকেটে নাই কানাকড়ি যাবে সে কোন্ দোকানে? দেশেই থাকো দেশেই বাঁচো ছুঁড়ে ফেলো পুড়ে ফেলো, নদীর জলে উদর পুরে কর্তাবাবুর পাঁপড় বেলো।…

Read More

পালাবার পথ নাই – সুদীপ ঘোষাল
পালাবার পথ নাই – সুদীপ ঘোষাল

পালাবার পথ নাই   (ছোটোগল্প) সুদীপ ঘোষাল গাঁয়ের পাগলাদা। মাঝে মাঝেই চিৎকার করে বলে, পালাবার পথ নাই যম আছে পিছে। কুঁড়েঘর একদিক কাত হয়ে আছে। ভোটার লিষ্টে নাম আছে পাগলা হাজরা। লেখাপড়া অল্পবিস্তর জানা আছে। জীবনের পাঠশালায় এখনও পড়ে। রান্না করে না। বাড়ি বাড়ি যায়, কেউ না কেউ খেতে দেয় ঠিক। মানুষের সঙ্গে মেশে। চালাঘরে তার সঙ্গী একটা বাঁকা লাঠি, ঠিক ফালি কুমড়োর মত। চাঁদ উঠলে চাঁদের আলো ভাঙা দেওয়ালের ফোকল গলে টুকি দেয়। হ্যারিকেন বা লন্ঠন কিছু নেই। রাতে…

Read More

সদানন্দ সিংহের ছড়া
সদানন্দ সিংহের ছড়া

মিছামিছি সদানন্দ সিংহ  আছাড় খেয়ে, পড়ে গিয়ে লোকটা বলে, বাবা রে।। পরের জান, পরের প্রাণ থুক্কু বলে, পালা রে।। আপনি বাঁচলেই, বাপের নাম আর যে সব, মিছে রে।। নজরদারি ব্যবসাদারি সব যে খতম হলো রে।। কানা মাছি ভোঁ ভোঁ তোমার দেখা আর নাই রে।।

Read More

শিশিরবিন্দু – সুদীপ ঘোষাল
শিশিরবিন্দু – সুদীপ ঘোষাল

শিশিরবিন্দু -১   (অনুগল্প) সুদীপ ঘোষাল আমাদের বিয়ের পরে তারাপীঠে প্রণাম করে এলাম দুজনে। আমার স্ত্রী আমাকে বললেন, মায়ের কাছে ঘোরা তো বারোমাসের ব্যাপার। চল, এবার দূরে কোথাও হানিমুনে যাই। আমি বললাম, ঠিক আছে সামনের মাসে পূর্ণিমাতে হানিমুন হবে আমাদের। স্ত্রী খুব খুশি। নতুন বৌয়ের আদর সেই সুবাদে পেলাম খুব। আমি খুঁজে খুঁজে সবকিছু ঠিক করে রেখেছি। প্রেজেন্টেশন কি ভাবে করব তার প্রস্তুতিও নিয়ে রেখেছি। আদরে সমাদরে চলে এল বহু প্রতিক্ষিত পূর্ণিমারাত। রাতে বৌ বলল, তুমি যে বললে পূর্ণিমাতে আমাকে…

Read More

অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা
অভিজিৎ চক্রবর্তীর কবিতা

স্কুল ও কয়েকটি এলোমেলো ছবি অভিজিৎ চক্রবর্তী ১ রৌদ্রভরা স্কুল, ধানখেতের মাঝখানে, দূরে বট, একচিলতে মাঠ, আর একটি টিপ কল– সাদা ফিতেবাঁধা যে মেয়েটি এলোমেলো দৌড়ে আসছে তার সঙ্গে প্রজাপতিও পারছে না সে আমার মা তখনও জন্ম হয়নি আমার ২ টিলা থেকে নেমে খাল খালের পাশে মরা গরু জলহীন শূন্য ধু ধু শকুন বসে আছে– পাশ দিয়ে ছেলেরা যায়, বগলে বই মেয়েরা  কাচা আমড়া আর নুন মাখানো দুপুর–  দূরে শ্লেট-কালো আকাশ শকুনের গলার মত লোমহীন পথ  বিদ্যালয় বহুদূর ৩…

Read More

দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দেবাশিস মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

কাঠবিড়ালী দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ভোরবেলা অমলতাসের সঙ্গে দেখা তার দেহ জুড়ে কাঠ বিড়ালীর প্রাণচাঞ্চল্য আমি যেন আমিতে নেই হাসপাতালের টেবিলে সুঁই ফোটানোর সময় এ দেহকে অমলতাস আর কাঠবিড়ালি ডেকে নিয়েছিল ডাক্তারের রেটিনায় কে তখন অবাক আঁকছিল মেঘ দেবাশিস মুখোপাধ্যায় ঘুমের ভিতর সিনেমা দেখছি । নায়কের মুখ খুব চেনা সে আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে। নিজেকে দেখেই যাচ্ছে একদল মেঘ এসে ঢেকে দিল সবকিছু । শো ভেঙে গেলে চোখ মেলে দেখলাম বউয়ের চুলে হারিয়ে গেছে আমার মুখ একটা জাল থেকে আরেকটা জালে আটকে…

Read More

সদানন্দ সিংহের কবিতা
সদানন্দ সিংহের কবিতা

মন সদানন্দ সিংহ রুবি রায় বলে আমার কেউ ছিল না তবু মনে পড়ে রুবি রায়কে বারবার আমার হিমালয় বলে কিছু ছিল না তবু মনে হয় গোটা হিমালয়টাই আমার আমার কোনো গঙ্গাও ছিল না তবু গঙ্গাতেই হয় আমার অতিবাহিত জীবন এইভাবেই গোটা ভারতবর্ষ আমার স্বপ্ন হয়ে যায় রহস্য সদানন্দ সিংহ ক্রমাগত দূরে সরে যাচ্ছে এখন এক স্পন্দন চিত্রপটে আঁকা ছবি ধীরে ধীরে ফুটে ওঠে। সুপার্ব প্রোজেক্ট, তাই স্বপ্নও একসময় বিকিয়ে যায় দীনদয়ালের ঘরে ঢোকে আজব আতরদান রাজ-রাজড়ার গল্প শানায় তামাশায়…

Read More

ব্যালান্স – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য
ব্যালান্স – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য

ব্যালান্স        (ছোটোগল্প) ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য — কিছু দেবেন বাবু? প্ল্যাটফর্ম ফাঁকা। সিগন্যালিং এর কাজ হচ্ছে। গতকাল থেকে বন্ধ আছে ট্রেন চলাচল। শীতের রোদ পিঠে নিয়ে প্লাটফর্মে বসেছিল রথীন। কয়েক শ মাইল দূরে থাকা নিজের পরিবার পরিজনদের ঘোরাফেরা মনের আঙ্গিনায়। অলস দুপুর। তন্দ্রা ঘন হয়ে এসেছে নিঃশব্দে। হঠাৎ করেই শোনে, ” কিছু দেবেন বাবু?” তন্দ্রাচ্ছন্নতা কাটে। চোখ মেলে দেখে একটি ছেলে। কয়েক হাত দূরে দাঁড়িয়ে। বয়স আট কি দশ বছর হবে বলেই মনে হয়। রুক্ষ চেহারা। শতছিন্ন…

Read More

জিতে যাওয়া – ব্রতীন বসু
জিতে যাওয়া – ব্রতীন বসু

জিতে যাওয়া    (অনুগল্প) ব্রতীন বসু দীপক রোজ ঘুম থেকে ওঠার আগে একটাই স্বপ্ন দেখে। এক মিহি গলায় কে যেন ওর কানের কাছে বলছে, তুমি আজ জিতবে, সব কিছুতে জিতবে। অদ্ভুত এক আত্মবিশ্বাসে ভরে যায় মনটা। দীপক এক আই টি কোম্পানির জুনিয়র প্রোগ্রামার, সারাদিন ল্যাপটপে কাজ, কঠিন টাইমলাইন, লিডের চোখ রাঙানি, লাঞ্চে স্যান্ডউইচ অথবা ক্যান্টিনের এক ঘেয়ে খাবার, রাতে মায়ের হাতের রুটি তরকারি, অল্প ওটিটি দেখা দিয়ে ঘুম। আবার এক স্বপ্ন ভোর রাতে। জীবন এক ধাতুতে গড়া, জেতা হারার…

Read More