প্রিয় পাঠক

# এটা JAN-FEB 2026 সংখ্যা # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ # আমাদের ওয়েবসাইট ভিজিট করার জন্য আপনাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ # ঈশানকোণ নিয়মিত পড়ার জন্য আপনার প্রতি রইল আমাদের একান্ত অনুরোধ # ফেসবুকে আমাদের পেজ লাইক করুন, আমাদের ফলো করুন # আপনার লেখা আমাদের কাছে অমূল্য, লেখা পাঠান এই ঠিকানায়ঃ singhasada4@gmail.com # ঈশানকোণ-এর অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ডাউনলোড করুন # পরবর্তী MAR-APR 2026 সংখ্যা প্রকাশিত হবে MAR মাসের ২০ তারিখ ।

প্রতিশোধ – সমিত রায় চৌধুরী
প্রতিশোধ – সমিত রায় চৌধুরী

প্রতিশোধ         (অনুগল্প) সমিত রায় চৌধুরী ঘরে ঢুকেই ঘরের আবহাওয়াটা বিবেক বুঝতে পারল। বেশ থমথমে পরিবেশ। ভাস্বতী সোফায় বসে কটমট করে কেয়ার দিকে তাকাচ্ছে। কেয়ার চোখে জল। বিবেককে দেখেই ভাস্বতী বলে উঠল, “জানো কেয়া কি করেছে?” বিবেক চুপ। ভাস্বতী বলতে থাকল, “সুদক্ষিণার মা আজ বলল, সুদক্ষিণার টিফিন বক্স থেকে কেয়া টিফিন খেয়েছে।” বিবেক বলল, “মা তুমি এমন ভাবে অন্যের টিফিন খাও কেন?” ভাস্বতী বিবেককে চুপ করিয়ে বলল, “সেটা কথা নয়। সুদক্ষিণার টিফিনে ছিল মাশরুম দিয়ে পোলাও। “…

Read More

Posted in অনুগল্প Comments Off on প্রতিশোধ – সমিত রায় চৌধুরী
মৌ চক্রবর্তীর কবিতা
মৌ চক্রবর্তীর কবিতা

ইকিরমিকির ১ মৌ চক্রবর্তী মেঘ নেয়ে এলো বালি-কার্নিশে নতুন সকাল নতুন হলুদ গোলাপি গল্প বলা ফুল এমন ডেকে বলে এ নতুনদিনে রেখারঙ থেকে দুচোখ আলো নিমেষে তরুতট মেলে মন ভরালি হীরে কুচি সমুদ্র   সাধ হাওয়ায় খেলে মেঘলবীথি জুড়ে শুধুই মন কেমন ইকিরমিকির ২ মৌ চক্রবর্তী বেলা বলে কোথা যাও বক সাদা পাখির ডানায় উড়তে উড়তে ছিটকে পলক উদাসী ভবঘুরে সঙ্গী যত এককাল থেমে থাকা নাও খুঁজে খুঁজি ধানরঙ ভুবনবালার হৃদয়ান্তরে কবে এক কবিতার মতন লিখতে চাওয়া না লেখায়…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on মৌ চক্রবর্তীর কবিতা
সুজিত বসুর কবিতা
সুজিত বসুর কবিতা

বিচ্ছেদ সুজিত বসু একসঙ্গে থাকা বহুদিন অতিরিক্ত পরিচয় থেকে বাড়ে ঘৃণা ভালোবাসা দিগন্তে বিলীন মুখোশের অন্তরালে লুকিয়ে যে তাকে তো চিনি না হয়তো আমারও মুখ অন্ধকারে ঢাকা আলো কি কখনো ছিল, না কি তা ছিল না একরাশ ক্লান্তি নিয়ে ঘুরে যায় চাকা তৃষ্ণার সমুদ্রে ডুবে জীবনের নকশিকাঁথা বোনা । পিসায় সোনালি দিন সুজিত বসু ধূসর অতীতে স্কুলের বইতে ছবি দেখে তাকে চেনা পরেও দেখেছি বহুবার নেটে স্বপ্নিল বিস্ময়ে আজ তার পাশে দাঁড়িয়েও যেন অটুট সে মায়াজাল হেলানো টাওয়ার রোদ্দুর…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on সুজিত বসুর কবিতা
আমি অভিমন্যু – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য
আমি অভিমন্যু – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য

আমি অভিমন্যু          (অনুগল্প) ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য আমি অভিমন্যু। তরবারির এক এক আঘাতে শেষ করে ফেলবো হাজার হাজার শত্রু। হাতের লাঠি নাচিয়ে বীরদর্পে আস্ফালন করে ছোট্ট পাকু। অনন্তবাবুর ঘর আজ কুরুক্ষেত্র প্রান্তর। চক্রব্যূহের রথী-মহারথীরা নাস্তানাবুদ পাকুর শৌর্যের সামনে। ঘরের একপাশে পড়ে রয়েছে বইখাতা। যুদ্ধে মত্ত পাকু। বিছানায় শুয়ে অনন্তবাবু। দেখছেন বাচ্ছা ছেলের খেয়ালি কাণ্ড। কয়দিন ধরে বেসুরে বেজেছে শরীর। বুকে চিনচিনে ব্যথা। মনটা ভালো নেই। শচীদার মৃত্যু অসহনীয়। দিন পনেরো হলো মারা গেছেন শচীবাবু। অনন্তের পড়শী।…

Read More

Posted in অনুগল্প Comments Off on আমি অভিমন্যু – ডঃ নিতাই ভট্টাচার্য্য
মাটির বাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে – সুদীপ ঘোষাল
মাটির বাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে – সুদীপ ঘোষাল

মাটির বাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে সুদীপ ঘোষাল পূর্ব বর্ধমান জেলার কেতুগ্রাম থানার অন্তর্ভুক্ত আমার গ্রামে মাটির বাড়ির আধিক্য বেশি ছিল। কিন্তু অজয় ও ঈশানীর জলে বন্যা হলে বর্ষাকালে এইসব অঞ্চলে মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ে। নতুন বাড়ি করতে গেলে বাড়ির মালিক ধার দেনা করে পাকা বাড়ি গড়ে তোলেন। বন্যা ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগের ফলে মাটির বাড়ি খুব কম দেখা যায়। কিছু কিছু জায়গায় দোতলা ঘরের পাশাপাশি প্রত্যেকেরই একটি করে একতলা মাটির ঘর রয়েছে। কেউ কেউ দোতলায় বসবাস করেন আবার কেউবা দোতলায়…

Read More

Posted in অন্যান্য Comments Off on মাটির বাড়ি হারিয়ে যাচ্ছে – সুদীপ ঘোষাল
রূপালী মুখার্জির কবিতা
রূপালী মুখার্জির কবিতা

কান্না জলে ভেজা রূপালী মুখার্জি উপহার স্বরূপ একটা নদী পেয়েছিলাম তোমার সাথে পরিচিত হবার পর মাঝে মাঝে ভীষণ মেঘ করে তখন ছলাৎ জলে ভেসে যায় শরীরের আনাচ কানাচ আবার জানো কখনও বিজুলি চমকিয়া কালো ভ্রমর আঁখির কোণে বান ডাকে প্রহেলিকা হয়ে আঁখি পল্লবে টলটল পদ্মপাতায় মুক্তোর আলাপ নিশ্চুপে কখনও সোহাগ নদী ভেসে যায় ঢেউ তুলে নীরব অহংকারে পলাশ বনে ভরে যায় শহরের অলিগলি কেন্দুলির মেলায় বাউল আসর পাতে পাখিরা নীড়ে ফেরে শেষরাতে নদী পাড় খোঁজে জ্যোৎস্নায় ভরে যায় মর্মর…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on রূপালী মুখার্জির কবিতা
রহিত ঘোষালের কবিতা
রহিত ঘোষালের কবিতা

ভাড়া বাড়ি রহিত ঘোষাল লাল জমিনের উপর সাদা ঘরানার শাড়ি, সয়াবিনের মতো দুপুর বেলায় ফুলে ওঠা ঘড়ির চাবি হয়ে কব্জির বিন্যাস করে পরিবহনের অপেক্ষা। বিয়ের পর প্রথম আমরা যে বাড়িটা ভাড়া নিয়েছিলাম, আজ দেখলাম ওই পাড়াতে গিয়ে বাড়িটা ভাঙা হচ্ছে। তারপর তো আমরা উঠে গেছি এক মহাকাশ থেকে অন্য মহাকাশে, তুমি হয়েছ অমর্ত্যগামিনী, অষ্ট সখীর পেছনে পেছনে নবনীতা। আমাদের সেই ফেলে আসা ৮/৩ এর সংসার স্মৃতি। রুম ফ্রেশনার রহিত ঘোষাল আগে কোনো কথা হয়েনি, তার পর একদিন অনেক কথা…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on রহিত ঘোষালের কবিতা
বইঃ সৃজনশীল মননের চিরকালীন সঙ্গী – উদয় শংকর দুর্জয়
বইঃ সৃজনশীল মননের চিরকালীন সঙ্গী – উদয় শংকর দুর্জয়

বইঃ সৃজনশীল মননের চিরকালীন সঙ্গী উদয় শংকর দুর্জয় বিখ্যাত মার্কিন জ্যোতির্বিজ্ঞানী, পদার্থবিদ এবং বিজ্ঞান লেখক কার্ল সেগান বলেছেন- ‘হাজার বছর ধরে লেখকরা মানুষের মস্তিষ্কের ভেতর নীরবে পরিষ্কার ভাবে কথা বলে যাচ্ছেন। লেখকরা আসলে জাদুকর, যারা কেউ কোনোদিন একজন আরেক জনকে চিনতো না বা জানতো না, বই তাঁদের সময়ের শৃঙ্খল ভেঙে দূরত্বকে ছেঁটে দিয়েছে। মানব সভ্যতার মধ্যে সবচেয়ে বড় উদ্ভাবন হলো বই, কারণ বই-ই পেরেছে আলোর পথ দেখাতে।’ বই মানব জীবনের, মনুষ্য পরিচয়ের এবং সভ্যতা বিকাশের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ। লেখক…

Read More

Posted in প্রবন্ধ-নিবন্ধ Comments Off on বইঃ সৃজনশীল মননের চিরকালীন সঙ্গী – উদয় শংকর দুর্জয়
দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা

লোকুইয়াল দিশারী মুখোপাধ্যায় কবুতরকে কবুতর বলিনি আমরা কখনও বলিনি পারাবত, পায়রা বলেই তাকে ডেকেছি চিরকাল। কোন পায়রার বুকে কতটা ক্ষত কতদিন ধরে রয়েছে কস্মিনকালেও কেউ খুঁজতে চায়নি, বুঝতে চায়নি। না লেখা কবিতাটি, কবি যেটি উচ্চারণ করে উঠতে পারেননি এখনও, ক্লিসে ও উচ্ছিষ্ট শব্দে যাকে ধরা যায়নি, সে-ই জানে কতখানি রক্তক্ষরণ হলে কাঁচুলির নিচ থেকে কান্নার কানীন রব শব্দহীন আল্পনা আঁকে। কী কারণে করণের কতটা গুরুত্ব মানা হবে কাল জানে, কেশব জানে না। খই দিশারী মুখোপাধ্যায় খড়খড়ি তুলে ঘরে ঢুকেছে…

Read More

Posted in কবিতা Comments Off on দিশারী মুখোপাধ্যায়ের কবিতা
গোবর্ধনের কেরামতি – সদানন্দ সিংহ
গোবর্ধনের কেরামতি – সদানন্দ সিংহ

গোবর্ধনের কেরামতি সদানন্দ সিংহ আমাদের পাড়ার শেষপ্রান্তে যে নতুন একতলা বাড়িটা তৈরি হয়েছে সে বাড়িটার সামনে দিয়ে যাবার সময় রাস্তা থেকে লক্ষ করলাম গোবর্ধনদা বারান্দায় একমনে চেয়ারে বসে রয়েছেন। তখনই বুঝলাম হর্ষবর্ধন-গোবর্ধন এঁরা আমাদের পাড়াতেই নতুন বাড়ি তৈরি করেছেন। অবশ্য আমি আগেই খবর পেয়েছিলাম কোলকাতার কারা নাকি এই বাড়িটা করাচ্ছিলেন এখানে এসে কীসব ব্যবসা করবেন বলে। সেদিন জংলিমামার বাড়িতে এনারা আমাদের সঙ্গে বেশি কথা বলেননি। প্রায় একরকম এড়িয়েই গেছেন আমাদের। মনে হয় জংলিমামা আমাদের বিরুদ্ধে আকথা-কুকথা এঁদেরকে বলেছিল। বাড়ির…

Read More