নিবন্ধ

ঈশানকোণ একটি সাহিত্যের ওয়েবজিন শরৎ পর্যায় অগাস্ট-সেপ্টেম্বর ২০১৭ ইং 

মগজাতি ও দক্ষিণ ত্রিপুরার জনসংস্কৃতিতে তার প্রভাব
অশোকানন্দ রায়বর্ধন

(পূর্বপ্রকাশিতের পর)
যুঝার ফার আক্রমণে স্বীয় রাজ্য থেকে উৎখাত হওয়ার কারণে ও পরবর্তীকালে ধন্যমাণিক্য কর্তৃক মগদের দেবী অপহৃতা হওয়ার কারণেই মগরা এরপর বারবার ত্রিপুরা রাজ্য আক্রমণ করেছে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।
ধন্যমাণিক্য কর্তৃক সংগৃহীত ত্রিপুরেশ্বরী মূর্তিকে মগদের প্রচলিত লোকপুরাণ কথিত দেবী ‘মগধেশ্বরী’ বলে স্বীকার করে নেওয়া যায়।এছাড়া ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের ‘ছোট মা’-র বিগ্রহ সম্বন্ধেও একথা বলা যায় যে, যুঝার ফা মগরাজা ‘লিকা’-কে সিংহাসনচ্যূত করলে তারা এই স্থান ত্যাগ করার সময় তাঁদের ‘তারা’ দেবীকে কোথাও লুকিয়ে রেখে গিয়েছিলেন, যা পরবর্তী সময়ে ব্রহ্মছড়া থেকে উদ্ধার হয়ে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে স্থান পেয়েছে।
মগদের দেবী মগধেশ্বরীর প্রভাব মগদের সান্নিধ্যে বসবাসকারী বাঙালি জনগণের মধ্যেও বিস্তারলাভ করে। ‘মগধেশ্বরী’ নামে এক লৌকিক দেবী যে সন্নিহিত অঞ্চলে পূজিতা হতেন তারও কিছু লুপ্তপ্রায় প্রমাণ পাওয়া যায়। চট্টগ্রাম অঞ্চলে এবং তৎসন্নিহিত দক্ষিণ ত্রিপুরায় কিছু কিছু গ্রামাঞ্চলে ‘মগধেশ্বরী’-র নামে এক ধরনের অভিচারিক পূজা করে থাকেন বাঙালিরা। স্থানীয় লোকবিশ্বাস অনুযায়ী কাউকে ভূতপ্রেত ইত্যাদিতে আশ্রয় করলে , দীর্ঘ চিকিৎসাতেও তার রোগমুক্তি না ঘটলে এই ধরনের অভিচার ক্রিয়ার আশ্রয় গ্রহণ করা হত। গ্রামের শেষপ্রান্তে খোলা মাঠের মধ্যে ‘সাব্যাখলা’ নামে একটা পূজার স্থল থাকত। ‘সাব্যা’ শব্দটি সেবা শব্দের বিকৃত রূপ। পূজার স্থানকে এ অঞ্চলে ‘খলা’ বলা হয়। এই ‘সাব্যাখলা’-তে রোগীর আরোগ্য কামনায় মানত করে অন্নব্যঞ্জন রান্না করে কলাপাতার আগায় সাজিয়ে ‘মগধেশ্বরী’ বা লৌকিক নাম ‘মগিনীর ডালি’-কে দেওয়া হত। ‘মগধেশ্বরী’ বা ‘মগিনী’ দেবীর পূজায় ‘ডালি’-র সঙ্গে দেওয়া হত রক্তজবা ফুল। এই পূজায় আর কোনোরকম মন্ত্রপাঠ বা ক্রিয়াদি নেই। শকুনজাতীয় কোনও পাখি এসে এই খাবার খেয়ে গেলে রোগীর রোগমুক্তি ঘটে বলে এখানকার লোকবিশ্বাস। সাব্রুম মহকুমা অঞ্চলের বর্ধিষ্ণু গ্রাম ছোটোখিলের দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে ফেনী নদীর চর এলাকায় এখনও ‘সাব্যাখলা’ নামে একটি স্থান চিহ্নিত আছে (মজুমদারবাড়ির পরে বর্তমান বাঁধের দক্ষিণপ্রান্তে)। তবে এখন আর এরকম অভিচার ক্রিয়ার নিদর্শন মেলেনা। বিশ-পঁচিশ বছর আগে পর্যন্ত আগে তার চল ছিল। বর্তমান প্রাবন্ধিকও তার শৈশব-কৈশোরে এই দৃশ্য লক্ষ করেছেন। এছাড়া যেখানে বা যে গ্রামে ‘সাব্যাখলা’ নেই, সেই স্থলে তে-মাথা রাস্তার মাঝখানে গভীর রাতে এই ‘মগধেশ্বরী’ বা ‘মগিনী’-র ডালি সাজানোর রেওয়াজ রয়েছে। এছাড়া গ্রাম্য ওঝা-বৈদ্যদের মধ্যে ‘মগিনী চালা বলে একধরনের কৃষ্ণ ইন্দ্রজালের সন্ধান পাওয়া যায়। তাদের ব্রাত্য মন্ত্রাচারে এ ধরনের একটি ছড়ার সন্ধান পাওয়া গেছে। উৎসাহী পাঠকের জ্ঞাতার্থে তা নিম্নে উল্লেখ করা হল –
মগিনী চালা
রোসন শ’রে বএ নোনা হানি
সেখানে জর্ম হৈল পাগলা মগিনী
বাবা তোর মগরাজা মা তোর বেলারানি
শুনরে মগিনী তোর জর্মের কাহিনি
শনি মঙ্গলবারে তোর রজসলা হৈলি
ভাইউবে দেখিলো বলি কাপড় তুলিলি
আরে মগিনী অমুকাব অঙ্গ ছাড়িয়া
অমুকার উপর বাঅন কর …।
দোয়াই মআদেবের (৩ বার)
(অর্থঃ রোসন=রোসাঙ, শ’রে=শহরে, বএ=বহে, হানি=পানি, জর্ম= জন্ম, রজসলা=রজস্বলা, ভাইউবে=ভাণ্ডরে, অমুকাব=রোগিনীর নাম বসবে, বাঅন=বাহন, দোয়াই=দোহাই, মআদেবের= মহাদেবের)
[ তথ্যসূত্রঃ নারায়ণ দে, ৭২, আদিনিবাস- মীরের সরাই থানা, চট্টগ্রাম জেলা, গ্রাম- হরিপুর। বর্তমান নিবাসঃ বিজয়নগর, সাব্রুম, দক্ষিণ ত্রিপুরা।]
ছড়াটি বিশ্লেষণ করলে জানা যায় যে মগিনীর জন্ম রোসাঙ-এ। আরাকানের প্রাচীন রাজবংশের নাম রোসাঙ-এর কথা ভাষা সাহিত্যের শিক্ষার্থীর অজানা নয়। এই মগিনীর পিতা হিসেবে মগরাজার উল্লেখ করা হয়েছে।
দেখা যাচ্ছে যে, এই কৃষ্ণ-ঐন্দ্রজালিক চর্চায়ও এই এলাকার জনসাধারণের মধ্যে মগ জনজাতির প্রভাব প্রত্যক্ষ রয়ে গেছে বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর পাশাপাশি অবস্থানের ফলে এই জাতীয় মিশ্রণের প্রভাব ঘটে থাকে। আমাদের চণ্ডী, শীতলা, মনসা ইত্যাদি বহু দেবদেবীই অনার্য ব্রাত্যজীবন চর্যা থেকে উঠে এসে ধর্মীয় জীবনে স্থান করে নিয়েছে। লৌকিক দেবদেবীর অনার্য প্রভাবের মতোই মগধেশ্বরী বা মগিনী মগ জনসংস্কৃতিরই নিশ্চিত প্রভাব।
ধর্মীয়-সাংস্কৃতিক জীবন ছাড়াও অন্যান্য ক্ষেত্রেও যে এই অঞ্চলের জনজীবনে মগ প্রভাব রয়েছে তার উপর কিঞ্চিৎ আলোকপাত করার প্রচেষ্টা এখানে নেওয়া হচ্ছে। এই অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানের নামেও ‘মগ’ শব্দের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। বিলোনীয়া মহুকুমার পিলাক পাথর যে একসময় মগ অধুষ্যিত অঞ্চল ছিল তা উল্লেখের অপেক্ষা রাখেনা। সম্ভবত, এই পিলাকেই ছিল প্রাচীন মগরাজার রাজধানী – ধর্ম সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র। তার সূত্র ধরে ‘পিলাক’ নামের উৎস খোঁজা যেতে পারে।
এখানে যে গোত্রের রাজারা বাস করতেন, তাঁরা ‘প্লেঙসা’ নামে পরিচিত। এই প্লেঙসা শব্দটির বিবর্তিত রূপ প্লেঙ < প্লেক < পেলেক < পিলাক হতে পারে। সন্নিহিত নদী ছড়াটির নামও হয়ত ‘প্লেঙ’ ছিল, যা বর্তমানে ‘পিলাক ছড়া’ নামে পরিচিত।
এই অঞ্চলের নদী ‘মুহুরী’ শব্দের অর্থ খুঁজলেও মগ ভাষার শব্দের সন্ধান পাওয়া যায়। ‘মংরি’ সব্দের পরিবর্তিত রূপ মঁরি < মুরি < বঙ্গীকৃত মুহুরী হতে পারে। ‘মগ’ বা ‘মং’ ভাষায় ‘রি’ শব্দের অর্থ জল বোঝায়। এই স্রোতস্বিনীটিকে এভাবে বোঝানোর ব্যাপারটা একদম উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
অনুরূপভাবে, এই অঞ্চলের আর একটি বিখ্যাত সীমান্ত নদী ‘ফেনী’ মগভাষার শব্দজাত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। শব্দটি ‘ফোয়ে নি রে’ থেকে এসেছে। ‘ফোয়ে’ শব্দ মগভাষায় গোসাপ, যার স্থানীয় নাম গুইল। এখানে ফেনী নামের মগ অনুবাদ দাঁড়ায় ‘গোসাপের আবাসস্থল’। একসময় ফেনী নদীর আশেপাশে প্রচুর গোসাপ দেখা যেত।
এছাড়া, এ অঞ্চলের আরো কিছু স্থান-নামেও মগপ্রভাব ধরা পড়ে। বর্তমান জোলাইবাড়িকে মগ জনগোষ্ঠীর লোকেরা ‘জোলা-জি’ বলেন। মগভাষায় ‘জি’ শব্দের দ্বারা বাজার বোঝায়। সেইরকম বর্তমান গর্জিবাজার মগ ‘গর-জি’ থেকে হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরেও যে একসময় মগদের অবস্থান ছিল, কিছু নামে তার হদিশ পাওয়া যায়। দক্ষিণ ত্রিপুরার এই অংশের সন্নিহিত বাংলাদেশের নোয়াখালি অঞ্চলে এ জাতীয় নামের হদিশ পাই। যেমন ‘ফুলগা-জি’।
মগ সম্প্রদায় বাঙালিদের ‘কোলা’ বলে সম্বোধন করে। তা থেকে বাংলাদেশের নোয়াখালির ‘কোলাপাড়া’নাম হতে পারে। দক্ষিণ ত্রিপুরায়ও পিলাক সংলগ্ন একটি স্থানের নাম কলসি আসলে ‘কোলা-সি’ অর্থাৎ ‘বঙ্গসন্তান’ অর্থাৎ বঙ্গজনপদ।
‘মগ’ জনগোষ্ঠী বাঙালিদের যে কোলা নামে অভিহিত করে থাকেন সেই সূত্র ধরে একটি ঐতিহাসিক তথ্যের ওপর ক্ষীণ আলোকপাত করার প্রয়াস নেওয়া হচ্ছে।
প্রাচীন বঙ্গের ইতিহাসে বঙ্গ ও সমতটের পাশাপাশি ‘হরিকেল’ নামে বাংলাদেশের পূর্বপ্রান্তিক অঞ্চলে একটি রাজ্যের নাম পাই। এই রাজ্যের পরিধি সম্বন্ধে ঐতিহাসিকগণের মধ্যে বহুমত রয়েছে। তবে এই রাজ্য প্রথমে ক্ষুদ্রাকার থাকলেও পরবর্তী সময়ে শ্রীহট্ট থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বিস্তৃত ছিল। কেউ কেউ বঙ্গ এবং ‘হরিকেল’-কে এক করেও দেখেছেন। চৈনিক পরিব্রাজক ইচিং-এর বর্ণনায় প্রথম হরিকেল-এর উপস্থিতি পাওয়া যায়। হরিকেল নামটি হরিকেলি, হরিকেলা বা হরিকোলা ইত্যাদি নামে ইতিহাসে উল্লিখিত হয়ে আসছে। শেষোক্ত হরিকোলা শব্দের সঙ্গে ‘কোলা’ বা বঙ্গের যোগাযোগ থাকতে পারে। আমরা শব্দটি এভাবে ব্যাখ্যা করতে পারি। ‘হরি’ শব্দটি যদি মূল মগ শব্দ ‘হৃ’ (বা রি) হয়, এবং তার সঙ্গে ‘কোলা’যোগ করে শব্দটির অর্থ দাঁড়ায় জলের তীরবর্তী বঙ্গ জনপদ হৃকোলা। যেমন ত্রিপুরীরা এ রাজ্যের নামের উৎস হিসেবে ‘তুইপ্রা’ব্যবহার করে থ্যাকেন তেমনি সমুদ্র তীরবর্তী বাংলাদেশ মগভাষায় ‘হৃকোলা’ স্বাভাবিকভাবেই হতে পারে।
এছাড়া দক্ষিণ ত্রিপুরার অন্যান্য জনগোষ্ঠীর ভাষায় কিছু কিছু মগ শব্দের ব্যবহারও দেখা যায়। মগ পোষাক লুঙ্গির ব্যবহার এখানকার বাঙালিসহ অন্য জনগোষ্ঠীর মধ্যেও দেখা যায়। বৌদ্ধ সন্ন্যাসীকে ‘ফুঙ্গি’ বলা হয়। গালাগালে ব্যবহৃত অপশব্দ ‘পুঙ্গির পূত’ তা থেকেই সৃষ্ট। সন্ন্যাসীর সন্তান হওয়া সম্ভব নয়। তাঁরা গার্হ্যস্থ জীবনযাপন করেন না। ‘জারজ’ বলে তিরস্কার করতে ব্যঙ্গার্থে এই শব্দ ব্যবহার করা হয়। বৌদ্ধ ভিক্ষুকে নিমন্ত্রণ জানানো অর্থে মগভাষায় ব্যবহৃত শব্দ ‘ফাং’ অন্য বৌদ্ধ জনজাতিদেরও ব্যবহার করতে শোনা যায়। তেমনি ভিক্ষুদের উদ্দেশ্যে নিবেদিত খাদ্যসামগ্রীকে মগশব্দ ‘সোয়াইং’ বা ‘সিয়ং’ অন্যরাও বলে থাকেন। নটে শাককে মগভাষায় ‘ম্যারা’ বলা হয়, যা স্থানীয় বাংলায় ‘মাইরা’। বাঁশের তৈরি এক ধরনের বড়ো টুকরিকে মগরা বলেন ‘লাই’, যা স্থানীয় বাংলায়ও চলে। ‘ফরা’ বলতে মগরা ঈশ্বরকে বোঝান। বাঙালিরা বুদ্ধ ‘ফরা’ শব্দটি ব্যবহার করেন (শ্যামাসংগীতে তাই পাই --- ‘ মগে বলে ফরা তারা / গড বলে ফিরিঙ্গি যারা’)। এধরনের আরো বহু মগ শব্দ স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ভাষার মধ্যে প্রবেশ করে নিজস্বতা লাভ করেছে। নিবিড় গবেষেণার দ্বারা এগুলো উদ্ধার করা সম্ভব।
মগ জনগোষ্ঠী স্থানীয় জনগণের সঙ্গে বহু প্রাচীনকাল থেকে একসঙ্গে বসবাস করে আসছেন। ফলে তাঁদের জীবন ও সংস্কৃতির বহু বিষয়ই কালক্রমে অন্যান্য জনগোষ্ঠীর মধ্যে প্রভাব বিস্তার করেছে। কালস্রোতে তার মধ্যে বিবর্তন বা পরিবর্তন যে আসেনি তাও নয়। যথাযথ বিজ্ঞানভিত্তিক তথ্যানুসন্ধান, গবেষণা ও বিশ্লেষণের দ্বারা বহু অনালোকিত তথ্য উদঘাটন সম্ভব হবে।

গ্রন্থপঞ্জী
১) রাজমালা ও ত্রিপুরার ইতিহাস, কৈলাশচন্দ্র সিংহ।
২) ত্রিপুরার ইতিহাস, ড জগদীশ গণচৌধুরী।
৩) মাণিক্য শাসনাধীন ত্রিপুরার ইতিহাস, ড নলিনীরঞ্জন রায়চৌধুরী।
৪) চট্টগ্রামের ইতিহাস, আহমদ শরীফ।
৫) রাজন্য শাসিত ত্রিপুরা ও চট্টগ্রাম, ড রঞ্জিত দে।
৬) পিলাক সভ্যতা, আশিস কুমার বৈদ্য।
৭) পিলাক কথা, দীপক ভট্টাচার্য।
8) ত্রিপুরার মন্দির ও দেবদেবী, প্রিয়ব্রত ভট্টাচার্য।
৯) উদয়পুর বিবরণ, ব্রজেন্দ্র চন্দ্র দত্ত।
১০) ত্রিপুর রাজধানী উদয়পুর, দ্বিজেন্দ্রনারায়ণ গোস্বামী।
১১) আরণ্য জনপদে, আব্দুস সাত্তার।
পত্র-পত্রিকা
১) ত্রিপুরাসুন্দরী মন্দিরের পাঁচশো বছর উপলক্ষেপ্র৪কাশিত স্মরণিকা---২০০১
২) পিলাক উৎসব উপলক্ষে প্রকাশিত স্মরণিকা---২০০২
ব্যক্তিগত যোগাযোগ
১) নারায়ণ দে, বিজয়নগর, সাব্রুম, দক্ষিণ ত্রিপুরা।
২) ভবানী মগ, শিক্ষিকা, সাব্রুম দ্বাদশ শ্রেণী বালিকা বিদ্যালয়।
৪) নিতাই বড়ুয়া, সাব্রুম, দক্ষিণ ত্রিপুরা।
৫) ক্রাইরী মগ চৌধুরী, বিশিষ্ট্ লেখিকা এবং মগ সংসৃতির সংগ্রহক।
                                                                                                                                     HOME

এই লেখাটা শেয়ার করুন